গোহারা হেরে দিল্লি পুরোনিগম হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির। দীর্ঘ দেড় দশক পর এই পরাজয়ের দায় গিয়ে পড়েছে দিল্লির বিজেপি সভাপতির উপর। দায়িত্ব থেকে সরে যেতে কার্যত বাধ্য করা হয়েছে আদেশ গুপ্তাকে(Adesh Gupta)। রবিবার তাঁর পদত্যাগের পর দিল্লির দায়িত্ব আপাততভাবে তুলে দেওয়া হয়েছে সহ-সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবাকে। আদেশকে পদত্যাগে বাধ্য করার পর বিজেপির অন্দরে শুরু হয়েছে অসন্তোষ। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ঘটনা যদি তাই হয় তবে কেন একই বিষয় কার্যকর হবে না হিমাচলের জন্য? সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের রাজ্য বলেই কি সেখানে কোনও পদক্ষেপ হবে না!

দিল্লি বিজেপি সুত্রের খবর, আদেশ গুপ্তা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। যার জেরেই দিল্লিতে নির্বাচনের ফলপ্রকাশের ৪ দিনের মাথায় হারের দায় কাঁধে নিয়ে পদ ছাড়েন তিনি। এদিকে শুধু দিল্লি নয়, হিমাচলেও গোহারা হেরেছে বিজেপি। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা নিজে এই রাজ্যের মানুষ। তাছাড়া ভোটের প্রচার এবং প্রার্থী বাছাইয়ে তিনি সামনের সারিতে ছিলেন। প্রচারে নাড্ডা ও অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur) ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ১০ বার প্রচারে দেবভূমিতে যান। ফলস্বরুপ প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নাড্ডা কেন পদত্যাগ করবেন না? যদিও বিজেপির এক শীর্ষ নেতার দাবি, জেপি নাড্ডা হিমাচল বিজেপির কোনও সাংগঠনিক পদে নেই। তিনি জাতীয় সভাপতি। পরাজয়ের দায় যদি কাউকে নিতে হয় সে হিমাচলের রাজ্য সভাপতি এবং রাজ্য কমিটিকে।
উল্লেখ্য, দিল্লির পুরনিগমের ভোটের ফল প্রকাশিত হয়েছে বুধবার। পনেরো বছর পর এবার ওই পুরবোর্ড পদ্ম শিবিরের হাতছাড়া হয়েছে। ২৫০ ওয়ার্ডের পুর নিগমে আম আদমি (Aam Admi Party) পেয়েছে ১৩৪টি ওয়ার্ড। ১০৪ ওয়ার্ড নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বিজেপিকে। আর কংগ্রেসের (Congress) অবস্থা আরও খারাপ। যদিও এখনও মেয়র নির্বাচন বাকি। মেয়র বাছাইয়ের ভোটে কোনও দলীয় হুইপ থাকে না। তাই ঘোড়া কোনাবেচার ভয় পাচ্ছে আম আদমি পার্টি। কারণ কিছু ওয়ার্ডের প্রতিনিধিকে এদিক ওদিক করতে পারলেই মেয়রের চেয়ার দখল সম্ভব।








































































































































