শুভেন্দু অধিকারীর ডিসেম্বর তত্ত্ব উড়িয়ে তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের কটাক্ষ,বগটুইকাণ্ডে মূল অভিযুক্তর সিবিআই হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে। শুভেন্দু এই ১২ তারিখের কথা বলছিলেন ? শুভেন্দু তো মানসিক বিকারগ্রস্ত মানুষ।আজ শুনলাম তো মিটিংয়ে তিনি নিজের দলেরই সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ করে বসেছেন। আমরা তো জানতাম তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলার জন্য সভা ডাকা হয়েছে, আর এ তো দেখছি নিজের দলেরই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির নামে বিষোদ্গার করছেন। দিলীপবাবুর সঙ্গে আমাদের মতের পার্থক্য, নীতির পার্থক্য আছে। কিন্তু তিনি একজন বর্ষীয়ান সাংসদ, একটি দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ! তাকে যে ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে ভাবা যায় না !
সুপ্রিম কোর্টে যতই রক্ষাকবচ মিলুক, ‘মেজ খোকা’ তোমাকে জেলে যেতেই হবে। হয় বিজেপি তোমাকে তাড়াবে, আর না হলে তৃণমূল তোমাকে জেলে পুড়বে। যেভাবে অন্যের কাঁধে বন্দুক রেখে তুমি নানান কাজ করেছো। আমি তো তাও দলের কথা বলছি।বিজেপির চটি চেটে রেহাই মিলবে না।
এরই পাশাপাশি বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল যে ধরনের মন্তব্য করছেন, তা না হলেই রাজনীতিতে ভালো হতো বলে মনে করেন কুণাল। তাঁর সাফ কথা, অগ্নিমিত্রা একজন ভাল ফ্যাশন ডিজাইনার কিন্তু রাজনীতির তিনি কিছুই বোঝেন না। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। তাঁকে নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকে বিজেপির নেতা নেত্রী যে ধরনের কুকথা বলছেন সেগুলো বন্ধ করা উচিত।
বগটুইকাণ্ডে মূল অভিযুক্তর যেভাবে সিবিআই হেফাজতে মৃত্যু হল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কুণাল। এই মৃত্যু কি স্বাভাবিক ? নাকি তদন্তকে প্রভাবিত করতে মৃত্যু ? তা অবশ্যই তদন্ত হওয়া উচিত। কুণাল বলেন, আমরা সিবিআই অফিসারদের ভরসা করি, তাদের ওপর আস্থা রাখি। সিবিআইতে অনেক যোগ্য অফিসার আছেন। কিন্তু যখন সিবিআইকে বিজেপি ব্যবহার করে তখন তো এই ধরনের মৃত্যুতে প্রশ্ন উঠবেই।
Sign in
Welcome! Log into your account
Forgot your password? Get help
Password recovery
Recover your password
A password will be e-mailed to you.







































































































































