ট্যাংরা-কাণ্ড: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন প্রসূন, গ্রেফতার করে হেফাজতে চায় পুলিশ

0
17

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন ট্যাংরা হত্যাকাণ্ডের (Tengra Case) অন্যতম অভিযুক্ত দে পরিবারের ছোট ভাই প্রসূন। সোমবার, এনআরএস হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়। পুলিস সূত্রে খবর, যে কোনও সময় তাঁকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেবে পুলিশ (Police)। তবে, এখনও হাসপাতালে ভর্তি প্রসূনের দাদা প্রণয় দে ও ভাইপো প্রতীপ। প্রসূনের স্ত্রী রোমি দে-র বাবা খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ, দুই বধূ সুদেষ্ণা ও রোমি দের হাত কেটেছিলেন প্রসূনই। তবে, নিজের কন্যা প্রিয়ম্বদাকে কে খুন করেছেন তিনি জানেন না বলে দাবি প্রসূনের।

১৮ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে প্রথমে বাইপাসের অভিষিক্তা মোড়ের কাছে পিলারে ধাক্কা দেয় একটি গাড়ি। সেই দুমড়ে যাওয়া গাড়ি থেকে প্রণয় দে, প্রসূন দে ও তাঁদের এক পুত্রসন্তানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বাইপাসের বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের ভর্তি করার সময় তাঁরা জানান, বাড়িতে তিনটি মৃতদেহ রয়েছে। সেই মতো ট্যাংরার ১এ, অতুল শূর রোডে গিয়ে হাড় হিম করা দৃশ্য দেখে চমকে যায় পুলিশ (Police)। দেখা যায়, দে ভাইদের দুই স্ত্রী সুদেষ্ণা দে এবং রোমি দে-র রক্তাক্ত দেহ দুই ঘরে পড়ে আছে। আর এক ঘরে প্রণয় ও সুদেষ্ণার কিশোরী কন্যার দেহ।

পুলিশ সূত্রে খবর, পরিবারের সকলে প্রথমে ঘুমের ওষুধ মেশানো পায়েস খান। তাতেই কিশোরী প্রিয়ম্বদার মৃত্যু হয় হবে অনুমান। পরে রোমি এবং সুদেষ্ণার হাতের শিরা ও গলা কাটা হয়েছিল। কার পরিকল্পনায় এই হত্যাতাণ্ড তা নিয়ে দুই ভাইকে জেরা করতে চায় পুলিশ। ইতিমধ্যে প্রণয়ের পুত্র প্রতীপ জানায়, তাঁর কাকা প্রসূনই সবাইকে মেরেছেন। তাঁদেরও আত্মহত্যার পরিকল্পনা ছিল।
আরও খবরযাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাত্য বসুকেও খুনের ষড়যন্ত্র হয়! বিস্ফোরক অভিযোগ WBCUPA-র

পুলিশ সূত্রে খবর, হাসপাতালে প্রসূন, প্রণয়, প্রতীপের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছিল। সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করিয়ে হেফাজতে নিতে চায় পুলিশ। এ বার দে পরিবারের দুই ভাইকে জেরা করতে চায় পুলিশ। ঘটনার দিন বাড়ির বর্তমান জীবিত সদস্যরা কী করছিলেন তাও জানতে চাওয়া হবে। দুই ভাইকে নিয়ে ঘটনার পুননির্মাণও করতে চায় বলেও পুলিশ সূত্রের খবর।