উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে ৫০ জনকে বরফের নীচ থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ৮ জনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।জানা গিয়েছে, মানা গ্রামের কাছে কাজ চলছিল। দায়িত্বে ছিল বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (BRO)। শুক্রবার তাদেরই একটি ক্যাম্প সম্পূর্ণভাবে বরফের নীচে চাপা পড়ে যায়। শনিবার পর্যন্ত ৫০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।রবিবার উদ্ধারকারীরা বরফের চাঁই তুলতেই মৃতদেহ দেখতে পান। শেষ যে চারজন চাপা পড়েছিলেন, তাদের কাউকেই বাঁচানো যায়নি।প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টির কারণে শুক্রবার রাতের পর উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়।ফের রবিবার সকালে আবহাওয়া পরিষ্কার থাকায় উদ্ধারকাজ শুরু হয় জোরকদমে।
ভারতীয় সেনা, আইটিবিপি (ITBP), রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF), BRO এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF)-র প্রায় ২০০-রও বেশি কর্মী উদ্দারকাজে অংশ নেন। রবিবার সকালে চারজন নিখোঁজ শ্রমিকের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করা হয়। তাকে মৃত অবস্থাতেই উদ্ধার করা হয়। বাকি ছিলেন তিনজন। রবিবার রাত পর্যন্ত প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও টানা কাজ চালিয়ে একে একে বাকি তিনজনকে বরফের তলা থেকে বের করা হয়।
তবে কারও দেহে প্রাণ ছিল না। ভিক্টিম লোকেটিং ক্যামেরা (VLC), থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা, গ্রাউন্ড পেনিট্রেশন ব়্যাডার, ড্রোন, ইউএভি (Unmanned Aerial Vehicle)-র মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এক্ষেত্রে। প্রশিক্ষিত অ্যাভালাঞ্চ রেসকিউ ডগ, বায়ুসেনার এমআই ১৭ হেলিকপ্টার ও তিনটে চিতা হেলিকপ্টারকেও উদ্ধারকাজে কাজে লাগানো হয়।ভারতীয় সেনাবাহিনী সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ৫৪ জন শ্রমিকের মধ্যে ৪৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ৮ জনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সন্দীপ তিওয়ারি সব উদ্ধারকারী সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি তুষারধসে নিহত BRO কর্মীদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
–
–
–
–
–
–
–
–
–


























































































































