নিঃশর্ত শান্তি: আমেরিকার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েও নিজের ‘শর্ত’ পেশ জেলেনস্কির

0
16

গোটা ইউরোপ রয়েছে ইউক্রেনের (Ukraine) পাশে। গত দুদিন ধরে সেই বার্তা শুধুমাত্র ইউরোপ নয়, একাধিক মহাদেশের দেশনেতারা দিয়েছেন ইউক্রেন রাষ্ট্রপতি ভলোদাইমির জেলেনস্কির (Volodymyr Zelenskyy) পাশে থাকার বার্তা। তবে তা যে আমেরিকার বিরোধিতা করে নয় তা স্পষ্ট করলেন জেলেনস্কি নিজে। যদিও তাঁর দাবি মিত্রশক্তিদের সঙ্গে একমত হয়ে তাঁর দাবি নিঃশর্ত শান্তি ও নিরাপত্তা।

রবিবারই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত (European Union) একাধিক দেশ সহ তুর্কি, কানাডার দেশনেতারা বৈঠকে বসেন লন্ডনে (London)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer) ও এমানুয়েল ম্যাঁক্রো (Emmanuel Macron)। বৈঠকের পরে জেলেনস্কি (Volodymyr  Zelenskyy) স্পষ্ট করে দেন, ইউক্রেন (Ukraine) তার সহযোগী দেশগুলির সঙ্গে একযোগে নিজেদের নিরাপত্তার (security) দাবি করছে রাশিয়ার (Russia) থেকে।

তবে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প-জেলেনস্কির বাকযুদ্ধের পরে গোটা বিশ্ব রাজনীতিতে দুই দেশের মধ্যে তিক্ততার পরিবেশের কথা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও বৈঠক শেষে ট্রাম্প (Donald Trump) নিজেই জানিয়েছিলেন ইউক্রেনের সঙ্গে বৈঠকের পথ এখনো খোলা রয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপের দেশগুলির সঙ্গে বৈঠকের পরে জেলেনস্কিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে আমেরিকার (USA) প্রতি। তাঁর বার্তা আমেরিকার সহযোগিতা কোন অংশে খাটো করার নয়। এমন কোনও দিন যায়নি যেদিন মার্কিন সহযোগিতার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেনি ইউক্রেন।

সেই সঙ্গে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে জেলেনস্কি এবার এটাও স্পষ্ট করে দিলেন যে আমেরিকা ছাড়াও অন্যান্য সহযোগী দেশগুলির প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞ। তাই তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাশিয়ার থেকে নিঃশর্ত নিরাপত্তা এখন গোটা বিশ্ব চাইছে। ইউক্রেনের (Ukraine) খনিজ সম্পদের বদলে যে নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি ট্রাম্প জেলেনস্কিকে দিতে চেয়েছিলেন, ট্রাম্পের সেই শর্তে যে এখনও জেলেনস্কি মাথা নোয়াচ্ছেন না, বৈঠক শেষে সেটাও তিনি স্পষ্ট করে দেন।