২৪ঘণ্টায় ভুল স্বীকার করুন: এপিক দুর্নীতিতে কমিশনের আধিকারিকদের নাম প্রকাশের দাবি তৃণমূলের

0
17

নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India) ভুলের কথা বিজ্ঞপ্তিতে জানালেও এখনও দেশ জুড়ে এত বড় দুর্নীতির কথা স্বীকার করেনি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনের আধিকারিকদের এই দুর্নীতিতে (scam) জড়িত থাকার কথা স্বীকার করার দাবি জানালো তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই সঙ্গে জানানো হল, দুর্নীতির যাবতীয় তথ্য রয়েছে তৃণমূলের হাতে। কমিশন নিজে স্বীকার না করলে মঙ্গলবার সকালে ফের সাংবাদিক বৈঠক করে সেই সব তথ্য প্রকাশ্যে আনা হবে।

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এপিক নম্বর (epic number) ধরে তালিকার গরমিল তুলে ধরার পরই রাতারাতি বিবৃতি জারি করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু নিজেদের ভুল স্বীকার করেনি কমিশন। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের (Derek O’Brien) দাবি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজেদের ভুল মেনে নিন। নাহলে আরও তথ্য পেশ করা হবে। এই সময়টি কোনও হুমকি দেওয়ার জন্য নয়। নিজেদের ভুল মেনে প্রকাশ্যে স্বীকারের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একই এপিক নম্বরে একাধিক ব্যক্তির নাম থাকলে তাঁদের ভোটার বলে মেনে নেওয়ার কথা জানানো হলেও, একই এপিক নম্বর নিয়ে একাধিক ব্যক্তি ভোট দেবেন কী করে, সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়নি। ডেরেক ও ব্রায়েন, সাগরিকা ঘোষ, কীর্তি আজাদের মতো তৃণমূল নেতৃত্ব দিল্লি থেকে সোমবার দাবি করেন, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে ভোটার তালিকা (voter list) নির্ভুল করে পেশ করতে হবে। তবেই একমাত্র ভোট দিতে পারবেন যোগ্য ব্যক্তি।

তবে গোটা ব্যাপারটাই যে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের অঙ্গুলি হেলনে হয়েছে সেই দাবি করা হয় তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে। কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশনের কাছে সাংসদ সাগরিকা ঘোষ (Sagarika Ghose) স্পষ্ট দাবি জানান, বিজেপির কারা এই দুর্নীতির মাস্টার মাইন্ড (mastermind)। আমরা সেই মাস্টার মাইন্ডদের নামও পেশ করব। সেই মাস্টার মাইন্ডদের (mastermind) নাম আনা হবে যাতে তাঁদের গ্রেফতারি সম্ভব হয়।

শুধু বিজেপির অঙ্গুলি হেলনে গোটা দেশের এতবড় কারচুপি সম্ভব নয়, যদি না সেখানে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সায় থাকে। সেখানেই কমিশনের কাছে সাংসদ সাগরিকা (Sagarika Ghose) দাবি জানান, এই অপরাধীরা কী নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে কাজ করছিলেন। যদি তাই হয় তবে নির্বাচন কমিশনের কোন আধিকারিকরা সরাসরি এই অপরাধের নির্দেশ দিচ্ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন সরকারি সংস্থার অপব্যবহার করে গণতন্ত্রের উপর আঘাত করা বন্ধ করুন।