ভয় ধরাচ্ছে জিকা ভাইরাস! পুনেতে আরও ৫ জনের শরীরে মিলল নমুনা

0
10

বর্ষা (Monsoon) আসতেই ফের দেশে জিকা ভাইরাসের (Zika Virus) প্রকোপ বাড়ছে। সময় যত গড়াচ্ছে আমজনতার কাছে রীতিমতো ঘুম উড়িয়েছে এই ভাইরাস। সূত্রের খবর, পুনেতে (Pune) আরও পাঁচজনের শরীরে এই ভাইরাসের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট ১১ জন এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন বলে খবর। এটি একটি মশাবাহিত রোগ। মূলত এডিস মশার কামড় থেকে এই রোগ ছড়ায়। গর্ভবতী মহিলাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। যেখানে সন্তানের মস্তিষ্কের বিকাশ ঠিক হয় না। ফলে সন্তানের মস্তিষ্কও তুলনামূলক ছোট হয়।

কী ভাবে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস?

কোনও সংক্রমিত এডিস মশা সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে তিনি জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। সংক্রমিত ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার মাধ্যমেও এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকী গর্ভবতী অবস্থায় মায়ের শরীর থেকে ভ্রূণেও সংক্রমিত হতে পারে এই ভাইরাস। গর্ভাবস্থায় এই ভাইরাস শরীরে হানা দিলে একাধিক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। আর তাতেই গর্ভপাতের আশঙ্কা বাড়ে। সময়ের আগেই প্রসব হতে পারে। তাই এই ভাইরাস থেকে প্রেগনেন্ট মহিলাদের অত্যন্ত সাবধানে থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

 

তবে দেশে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জিকা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তেই কেন্দ্রের তরফে সমস্ত রাজ্যের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে সবসময় কড়া নজর রাখতে বলা হয়েছে। যাতে মশাদের উৎপাত না বাড়ে সেদিকেও খেয়াল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জিকা ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল মশার উৎপাত কমানো। এর জন্য সবসময় বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। জমতে দেওয়া যাবে না বর্ষার জল। তবে মনে রাখতে হবে অন্যথায় এডিস মশার কামড়েই ছড়িয়ে পড়বে জিকা ভাইরাস। পাশাপাশি ঘুমনোর সময় মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। বিশেষত প্রেগনেন্ট মহিলাদের সাবধানে রাখতে হবে। তবে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সেভাবে কোনও লক্ষণ প্রথমে প্রকট হয় না। তাই প্রথম দিকে রোগীকে দেখে কোনওকিছু বোঝারও উপায় থাকে না। এদিকে কোনও লক্ষণ দেখা দিলেও তা সংক্রমণের ৩ থেকে ১৪ দিন পরই প্রকট হয়। জ্বর, গাঁটে ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং দুর্বল বোধ হওয়া। এদিকে কনজাংটিভাইটিস, ব়্যাশও দেখা দিতে পারে।