পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের অনুকরণে দিঘায় আরও বড় জায়গা জুড়ে তৈরি হচ্ছে জগন্নাথ মন্দির। মন্দিরের কাজ প্রায় সম্পন্ন। বিগ্রহ চলে এসেছে। পুজোর পরেই এর উদ্বোধন। রবিবার মিন্টো পার্কে ইসকনের রথযাত্রার সূচনা করে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bandopadhyay)। জানিয়ে দিলেন, আগামী বছর থেকেই সেখানেও ধুমধাম করে রথযাত্রা (Rathyatra) উৎসব পালিত হবে। তুমুল বৃষ্টির মধ্যেও প্রতি বছরের মত এবারও ইসকনের রথের রশিতে টান দিয়ে উৎসবের সূচনা করে মমতা।


এদিন দুপুর দুটোয় রথযাত্রায় উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Bandyopadhyay) মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহে আরতি করেন মমতা (Mamata Bandopadhyay)। এর পরে রথের দড়িতে টান দেন মুখ্যমন্ত্রী।
সকলকে রথযাত্রার শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় আমরা সমস্ত ধর্মীয় উৎসব পালন করি। বাংলার অর্ধেক মানুষ জগন্নাথ দর্শন করছেন পুরীতে, মায়াপুরে বিভিন্ন জায়গায়। আগামী বছর দিঘাতে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের অনুকরণে যে মন্দির তৈরি হয়েছে সেখানে রথযাত্রা পালন হবে। সেই মন্দিরের কাজ প্রায় হয়ে গিয়েছে। কিছু কিছু কাজ বাকি রয়েছে। পুরীর মন্দিরের সমান উচ্চতায় হলেও দিঘার মন্দির চত্বরের পরিধি আরও বেশি। মূর্তি চলে এসেছে। সেগুলি মার্বেলের। পুজোর পরই উদ্বোধন হয়ে যাবে। পরের বছরই দিঘায় রথযাত্রা হবে। মন্দির উদ্বোধনের দিন সকলে আসবেন।”
মিন্টো পার্কের হাঙ্গার ফোর্ড স্ট্রিট, 3সি অ্যালবার্ট রোড ইসকন মন্দির থেকে রথ বেরিয়ে এজেসি বসু রোড, শরৎ বোস রোড, হাজরা রোড, এসপি মুখোপাধ্যায় রোড, আশুতোষ মুখোপাধ্যায় রোড, চৌরঙ্গী রোড, এক্সাইড ক্রসিং, জওহরলাল নেহরু রোড, আউট্রাম রোড হয়ে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢুকবে রথ। ১৪ জুলাই পর্যন্ত সেখানেই রথ থাকবে। ১৫ জুলাই সোমবার উল্টোরথের দিন ফের মন্দিরে ফিরবে রথ। 





































































































































