অধিকাংশ সময় স্পেনে কাটিয়েছেন লিওনেল মেসি। সেই দেশেই এবার রিয়েল এস্টেট ব্যবসা শুরু করতে চলেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।মেসির মালিকানাধীন একটি রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ ট্রাস্ট স্পেনের বাজারে আত্মপ্রকাশ করেছে। প্রতিটি শেয়ারের দাম ৫৭.৪ ইউরো, ভারতীয় মুদ্রায় যা ৭ হাজার টাকার বেশি। সব মিলিয়ে বাজারে এর মূলধন ২২ কোটি ৩০ লাখ ইউরো, ভারতীয় মুদ্রায় ২ হাজার ৭৮৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।
মেসির রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ ট্রাস্টের নাম এদিফিসিও রোসটাওয়ার সোচিমি। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্টক এক্সচেঞ্জ পোর্টফোলিওর তথ্য অনুযায়ী, মেসি নিজেই এই বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান। এর একমাত্র শেয়ারহোল্ডার মেসির পারিবারিক বিনিয়োগের বাহন, যার নাম লিমেকু এস্পানা ২০১০। এদিফিসিও রোসটাওয়ার সোচিমির স্পেন ও অ্যান্ডোরায় ৭টি হোটেল আছে। স্পেনে আছে ৩টি অফিস স্পেস ও ৫টি অ্যাপার্টমেন্ট। এ ছাড়া লন্ডন ও প্যারিসে আছে আবাসিক সম্পত্তি।পোর্টফোলিও স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী সান্তিয়াগো নাভারো জানিয়েছেন, মেসির কোম্পানি এবার নতুন বিনিয়োগকারী যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে, যারা স্পেনের কাতালুনিয়া অঞ্চলে বিনিয়োগ করবে। কাতালুনিয়ার রাজধানী বার্সেলোনাতেই মেসি দুই দশকের বেশি সময় বসবাস করেছেন।
নাভারো বলেছেন, ‘মেসির এক্সচেঞ্জটি ২০২৩ সালে চালু করা হয়েছে। স্পেনের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এটি তত্ত্বাবধান করে। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক শুধু তখনই কোম্পানিটিকে ব্যবসা করার অনুমতি দেয়, যখন শেয়ার বিক্রি করতে বা মূলধন বাড়াতে চায়।’ এদিফিসিও রোসটাওয়ার সোচিমি বিনিয়োগ ট্রাস্ট ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। পোর্টফোলিও স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটি গত বছর ১৭ লাখ ইউরো ভারতীয় মুদ্রায় ২১ কোটি ২২ লাখ টাকা।
মেসি এদিফিসিও রোসটাওয়ার সোচিমির চেয়ারম্যান হলেও খেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এদিকে খুব বেশি সময় দিতে পারেন না। মূলত তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো এই বিনিয়োগ ট্রাস্টটি চালান। রোকুজ্জো বর্তমানে কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান। বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন আলফোনসো নেবোত ও রামোন আদেল। নোবেত মেসির পারিবারিক অফিস চালান আর আদেল স্পেনের প্রাকৃতিক গ্যাস এবং বৈদ্যুতিক শক্তি ইউটিলিটি কোম্পানি নাতুরজির বোর্ড সদস্য।রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মেসি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন। মায়ামির সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ ফুরোবে এ বছরের ৩১ ডিসেম্বর।
–
–
–
–
–
–
–


























































































































