সম্পূর্ণ ভুল পদ্ধতিতে আহত শিশুটিকে জেলার হাসপাতাল থেকে কলকাতায় আনা হয়েছে। যে পদ্ধতিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে শিশুটিকে, তাকে রেফারেল সিস্টেম বলে না। এক্ষেত্রে হাসপাতালের কোনও গাফিলতি নেই। অযথা এক শ্রেণির মিডিয়া সরকারের বদনাম করতে মিথ্যা প্রচার করছে। কুৎসা–অপপ্রচার করছে।

গুরুতর আহত শিশুটিকে শহরের পাঁচটি হাসপাতালের ঘুরতে হয়েছে। তারপর এসএসকেএমে চিকিৎসা শুরু হয়েছে। এ জন্য কিন্তু হাসপাতালের কোনও দায় নেই বা গাফিলতিও নেই। রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এ প্রসঙ্গে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যে প্রক্রিয়ায় শিশুটিকে নিয়ে আসা হয়েছে কলকাতায়, সেটা ভুল। এটাকে রেফারেল সিস্টেম বলে না। যদি ওই হাসপাতাল থেকে স্লিপ লিখে দিত কোন হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে হবে, তাহলে সেটাকে রেফারেল সিস্টেম বলা যেত। এখানে রোগীর পরিবার জানেই না কোন হাসপাতালে যেতে হবে। ফলে বেড না থাকায় ফিরতে হয়েছে তাদের। আর এক শ্রেণির মিডিয়া কোমর বেঁধে নেমেছে রাজ্যের বদনাম করতে। সম্পূর্ণ মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে তারা সরকারের কুৎসা করছে।
মাথায় চোট লাগায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় শিশুটির। তড়িঘড়ি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে রবিবার তাকে নিয়ে আসা হয় কলকাতায়। তারপর নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, এসএসকেএম, আরজিকর, মেডিক্যাল কলেজ ঘুরে এসএসকেএমে ভর্তি হয় সোমবার। প্রশ্ন ওঠে সরকারি হাসপাতালে রেফারেল ব্যবস্থা চালুর পরও রোগী হয়রানি হচ্ছে?
কিন্তু নতুন সিস্টেম অনুযায়ী, জেলা হাসপাতাল থেকে যখনই কোনও রোগী রেফার হয়ে শহর কলকাতার হাসপাতালগুলিতে আসবেন, তখন সংশ্লিষ্ট জেলার সেই হাসপাতাল রোগীর জন্য একটি নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে ‘রিকুইজিশন স্লিপ’তৈরি করা হয়। অনলাইনে তা তৈরি করার সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যায় কলকাতার হাসপাতালে। সে সময় কলকাতার ওই হাসপাতালে নির্দিষ্ট রোগীর নির্দিষ্ট চিকিৎসার জন্য বেড খালি আছে কিনা তা জানিয়ে দেওয়া হয় সঙ্গে সঙ্গে। কলকাতার হাসাপাতাল থেকে সবুজ সঙ্কেত পেলেই জেলা হাসপাতাল থেকে রওনা দেয় রোগীর পরিবার। কিন্তু এক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া মেনে কিছুই হয়নি, কোনও স্লিপও ছিল না।
আরও পড়ুন- সোমবার শুরু উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাউন্সেলিং


































































































































