আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সোমবার থেকে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে শিয়ালদহ আদালতে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা পুলিশ গ্রেফতার করেছিল এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে। এই মামলায় সিবিআইয়ের জমা দেওয়া চার্জশিটেও অভিযুক্ত হিসাবে শুধু মাত্র তারই নাম রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমদিন নির্যাতিতার বাবা উপস্থিত হতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাকে সিবিআইয়ের আইনজীবী ও অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়ের আইনজীবীরা পরপর ‘ক্রস’ করতে পারেন। সাক্ষীর বক্তব্য নথিভুক্ত করবেন বিচারক। জানা গিয়েছে, শনিবারই সিবিআইয়ের দুই আধিকারিক সোদপুরে নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে মা ও বাবার সঙ্গে কথা বলেন। বিচারকের নির্দেশমতো অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে সরাসরি অথবা ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচারের সময় উপস্থিত থাকতে হতে পারে।
এরই পাশাপাশি, এদিনই নির্যাতিতার ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তথ্য এবং প্রমাণ লোপাট, ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ধৃত আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের বিরুদ্ধেও চার্জশিট পেশ করতে পারে সিবিআই।
প্রসঙ্গত, গত ৯ অগস্ট আরজি করের জরুরি বিভাগের চার তলার সেমিনার কক্ষ থেকে উদ্ধার হয়েছিল মহিলা চিকিৎসকের দেহ। তাকে ধর্ষণ এবং খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রথমে বিষয়টির তদন্ত চালাচ্ছিল কলকাতা পুলিশ। পরে হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের ৫৮ দিনের মাথায় শিয়ালদহ আদালতে জমা পড়েছিল চার্জশিট।




































































































































