অশোকস্তম্ভের অবমাননা সুকান্তর: তৃণমূলের চাপে শুধুই শো-কজ কমিশনের!

0
17

কুকথার রাজনীতি উপনির্বাচনেও জারি রেখেছেন রাজ্যের বিজেপি নেতারা। রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumder) নির্বাচনী বিধিভঙ্গ থেকে রাষ্ট্রের অবমাননার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) দ্বারস্থ হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন তৃণমূলে নেতৃত্ব। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারের শেষ মুহূর্ত এগিয়ে এলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বিজেপি রাজ্য সভাপতির বিরুদ্ধে। অবশেষে তৃণমূলের দ্বিতীয় অভিযোগ পাওয়ার পরে সুকান্তকে কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি জারি করল কমিশন। তবে অশোকস্তম্ভের (National Emblem) অবমাননাতেও শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তিতেই আটকে গেল কমিশনের পদক্ষেপ।

একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) অতিসক্রিয়তা, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের অশোকস্তম্ভের অবমাননাকর বক্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূলের সাংসদদের পাঁচজনের প্রতিনিধিদল। অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ না হওয়ায় ফের সাক্ষাতের আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন (Derek O’Brien)। সোমবার বিকাল ৩টেয় সাক্ষাতের অনুমতি দিয়েছিল কমিশন। তৃণমূলের অভিযোগ, ১৩ নভেম্বর উপনির্বাচনের প্রচার সোমবার বিকাল ৫টায় শেষ হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিকাল ৩টেতে অভিযোগ শুনে কীভাবে পদক্ষেপ নিতে পারবে কমিশন। সেখানেই রাজ্যের শাসকদলের প্রশ্ন বিজেপির প্রতি পদক্ষেপে থমকে নির্বাচন কমিশন। পক্ষপাতদুষ্ট আচরণেরও অভিযোগ তোলা হয়।

উপনির্বাচনের (by election) প্রচার শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে অবশেষে পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। পুলিশের উর্দিতে অশোকস্তম্ভ সরিয়ে হাওয়াই চটি (slippers) রাখার মতো যে অবমাননাকর বক্তৃতা তিনি দিয়েছিলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে শো-কজ (show-cause) করা হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে। রাত আটটার মধ্যে উত্তর দাবি করেছে। তবে প্রচারের একেবারে শেষ লগ্নে পদক্ষেপ নিয়ে শাসকদলের প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে নির্বাচনী বিধিভাঙার থেকেও বড় – জাতীয় প্রতীককে (National Emblem) অপমান করার পরেও শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে নেতৃত্ব।