শৃঙ্গার বেশে মা তারা, তারাপীঠে চড়বেন পিতলের রথে

0
17

প্রত্যেকবারের মতো এবারেও রথযাত্রায় অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা তারাকে রথে বসিয়ে রথযাত্রা পালিত হবে শক্তিপীঠ তারাপীঠে। রথযাত্রা উপলক্ষ্যে এদিন তারাপীঠে থাকছে বিশেষ পুজোও। তবে রথে পরিক্রমা করে মা আবার মন্দিরেই ফিরে আসবেন।

তারাপীঠের রথযাত্রা কবে থেকে শুরু হয়েছিল তার দিনক্ষণ এখন আর তেমন কারও মনে নেই। তবে মন্দিরের সেবাইত, সাহিত্যিক প্রবোধ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই থেকে জানা যায়, ‘তারাপীঠের বিখ্যাত সাধক দ্বিতীয় আনন্দনাথ তারাপীঠের রথের প্রচলন করেছিলেন। সেই সময় একটি পিতলের রথ তৈরি করা হয়। সেই রথেই আজও মা তারা কে চড়ান হয়। এই রথ থেকেই ভক্তদের উদ্দেশে প্যাড়া, বাতাসা বিতরণ করা হয় হরি লুটের মতো করে।

এবছর রথযাত্রার উৎসবে বেলা তিনটা নাগাদ চিড়ে, ফলমূল দিয়ে মায়ের পাঁচ রকম ভোগ। এদিন মাকে জিলিপি ভোগও দেওয়া হয়। এদিন মা তারাকে বেনারসি শাড়ি পড়িয়ে শৃঙ্গার বেশে অপরাজিতা ফুল ও রজনী গন্ধা ফুল দিয়ে সাজিয়ে সুসজ্জিত রথে আরোহন করানো হয়। মূল ফটক থেকে উত্তর মুখ অভিমুখে পরিক্রমা করিয়ে তিনমাথা মোড় হয়ে ফের মূল মন্দিরে আনা হয়। তারাপীঠের রথে অধিষ্ঠাত্রী মা তারা।

তারা মায়ের একটি রথ ঘর রয়েছে। ওই রথ ঘরেই পিতলের রথকে সংরক্ষিত রাখা হয়। রথ ঘরটি নির্মাণ করেন জনৈক মা তারার ভক্ত আশালতা সাধু খাঁ। প্রতি বছর মা তারা কে রথে চড়িয়ে তারাপীঠ প্রদক্ষিণ করিয়ে সন্ধ্যা আরতির আগে মূল মন্দিরে বসানো হয়।