টানা বৃষ্টিতে ফুঁসছে তিস্তা! ধস সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে মরিয়া প্রশাসন

0
21

টানা বৃষ্টিতে (Rain) জলমগ্ন উত্তরবঙ্গ (North Bengal)। বিগত কয়েকদিন লাগাতার বৃষ্টির জেরে কোথাও নেমেছে ধস (Landslide)। আবার কোনও এলাকা জলের নীচে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গে। পাহাড়ে টানা বৃষ্টির জেরে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নেমে বিপত্তি। উল্লেখ্য, শনিবার ধস নামে কার্সিয়াংয়ের পাগলাঝোরায় ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কে। তবে চব্বিশ ঘণ্টা কেটে গেলেও লাগাতার বৃষ্টির কারণে ধস সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে এখনও সময় লাগবে বলে খবর। পাশাপাশি ডুয়ার্সের বিভিন্ন নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কা করা হয়েছে। তবে ধসের জেরে নতুন করে ১০ নম্বর জাতীয় রাস্তায় ধস নামায় শিলিগুড়ির সঙ্গে কালিম্পংয়ের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দার্জিলিংয়ের রাস্তাতেও একাধিক জায়গায় ধসের কারণে বন্ধ যান চলাচল।

তবে টানা বৃষ্টির জেরে তিস্তা নদীতে জলস্তর অনেকটাই বেড়েছে। কালিঝোরা, গেইলখোলা, বিরিকদাড়া, ২৯ মাইল, লোহাপুল-সহ একাধিক রাস্তা ধসে গিয়েছে বলে খবর। অন্যদিকে, মেল্লি থেকে রংপোর মাঝে নতুন করে ধস নামায় সিকিমের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ে আরও দুর্যোগ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতির জেরে বিপদে পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁরা এই পরিস্থিতিতে হোটেল থেকেই বেরতে পারছেন না বলে খবর।

এদিকে তিস্তা-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীতে জল বাড়তেই বানভাসি বিস্তীর্ণ এলাকা। ফলে, বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে তিন জেলায়। তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা, সঙ্কোশ, রায়ডাক— সব নদীর পার ভাঙছে বলে খবর। সেচ দফতর সূত্রে খবর, মুখ্য সব নদীর পার ভাঙছে। নদীগুলির পার ভাঙতে শুরু করায় বোল্ডার, বালির বস্তার জোগান পেতে সমস্যা হচ্ছে।