একঝাঁক বিধায়ক লড়েছিলেন লোকসভায়! এবার শূন্য বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন

0
20

এবারের লোকসভা নির্বাচনে শাসক-বিরোধী দুদলেরই বেশ কয়েকজন বিধায়ক প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের কারও দিল্লি যাওয়ার টিকিট জুটেছে, কারও জোটেনি। তবে, লোকসভায় পথ নেওয়ার আগে তাঁদের বিধায়ক পদে ইস্তফা দিতে হবে। আবার পরাজিতদের মধ্যে কেউ কেই দল বদল করায় সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচন (By Election) প্রয়োজন। ফলে এবার রাজ্যের ১০টি বিধানসভায় (Assambly) উপনির্বাচন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় আড়াই বছর ধরে বিধায়ক শূন্য কলকাতার মানিকতলা কেন্দ্রটিতেও।

  • বাংলার উত্তরের কোচবিহার লোকসভায় জিতেছেন তৃণমূল প্রার্থী জগদীশচন্দ্র বসুনিয়া। তিনি সিতাইয়ের বিধায়ক। বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে তাঁকে সাংসদ হিসেবে শপথ নিতে হবে।
  • মাদারিহাট বিধানসভার বিজেপির বিধায়ক মনোজ টিগ্গা লোকসভায় জিতেছেন।
  • বারাকপুর লোকসভায় তৃণমূল প্রার্থী তথা জয়ী রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তাঁকেও নৈহাটি বিধানসভার বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে।
  • বাঁকুড়ার তালড্যাংড়ার বিধায়ক অরূপ চক্রবর্তী। লোকসভায় বাঁকুড়া কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে জিতেছেন।
  • মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়াও মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে জিতেছেন।
  • উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায় বিধায়ক হাজি নুরুল ইসলাম জিতেছেন বসিরহাট লোকসভা নিরবাচনে। ফলে হাড়োয়াতেও উপনির্বাচন হবে।

উপনির্বাচন হবে বাগদা, রানাঘাট দক্ষিণ এবং রায়গঞ্জ লোকসভায় পরাজিত তিন বিধায়কের বিধানসভা  (Assambly) কেন্দ্রেও। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে এই তিনটি বিধানসভাতেই জিতেছিল বিজেপি। কিন্তু সেই বিজেপি বিধায়কেরাই তৃণমূলে যোগ দেন। তাঁদের এই লোকসভা ভোটে প্রার্থী করেছিল জোড়াফুল শিবির। যে হেতু তাঁরা দলবদল করে লোকসভায় প্রার্থী হয়েছেন, তাই তাঁদের আগেই বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়েছিল। ফলে কৃষ্ণ কল্যাণীর রায়গঞ্জ, বিশ্বজিৎ দাসের বাগদা এবং মুকুটমণি অধিকারীর রানাঘাট দক্ষিণে উপনির্বাচন হবে।

এর সঙ্গে যুক্ত হবে কলকাতার মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রে। সাধন পাণ্ডের মৃত্যুর পরে মানিকতলা বিধায়কহীন হয়ে রয়েছে। বিজেপি নেতা কল্যাণ চৌবের করা মামলার জন্য উপনির্বাচন আটকে ছিল। সম্প্রতি আদালত খারিজ করে দিয়েছে। ফলে মানিকতলায় ভোট হতে আর কোনও আইনি জটিলতা নেই। এখন কবে সেই উপনির্বাচন হবে, আর প্রার্থীই বা কারা হবে সেটাই দেখার।