রেলের সমস্যা প্রধানমন্ত্রীর সফর হলে রাতারাতি ঠিক হয়ে যায়। আর তৃণমূলের কর্মসূচি থাকলেই বারবার ট্রেন বন্ধ যেন বাংলার ট্র্যাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই ভাবে লোকসভা ভোটের আগে লোকাল ট্রেনকে হাতিয়ার করে রাজ্যের শাসকদলকে প্যাঁচে ফেলতে চাইছে কেন্দ্র সরকার। যদিও তাতে আদৌ লোকসভার জন্য তৃণমূলের ডাকা জনগর্জন সভা কতটা প্রভাবিত হবে তা নিয়ে সংশয় থাকছেই।

মার্চের ১, ২ তারিখ রাজ্যে লোকসভার প্রাথমিক সভা করে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্র ও শনিবার তাঁর সভা ছিল যথাক্রমে আরামবাগ ও কৃষ্ণনগরে। শনিবার তাঁর সভার আগে শিয়ালদহ শাখায় একগুচ্ছ ট্রেন বাতিলের ঘোষণা করে পূর্ব রেল। জানানো হয় রেলের ইন্টারলকিংয়ের কাজের জন্য বাতিল থাকছে অনেক ট্রেন। আবার দেখা যায় শুক্রবার রাতে রাতারাতি অনিবার্য কারণবশত সেই বাতিলের সিদ্ধান্তই বাতিল হয়ে যায়। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর সভা বড় বালাই।

আবার ৯ ও ১০ মার্চ একই কারণে হাওড়া ও শিয়ালদহ শাখায় প্রায় ২৫০ ট্রেন বাতিলের ঘোষণা করেছে পূর্ব রেল। কিছু দূরপাল্লার ট্রেনের সময়সূচি ও গতিপথও পরিবর্তন করা হয়েছে। দূরপাল্লার ট্রেনে সভার আগেরদিন বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মীরা আসেন। সেক্ষেত্রে ৯ মার্চ ট্রেন বন্ধ থাকলে সমস্যায় পড়বেন তাঁরা। আবার সভার দিন শহরতলির জেলাগুলি থেকে লোকাল ট্রেনে ব্রিগেড আসেন কর্মী সমর্থকরা। তাঁদের আসার ক্ষেত্রেও সমস্যা হবে। তৃণমূলের অভিযোগ, আগে থেকে সভার দিন ঘোষণা করা সত্ত্বেও এই ট্রেন বাতিল ও রুট বদলের সিদ্ধান্ত তৃণমূলের সভায় লোক সমাগম কম করার জন্য বিজেপির ষড়যন্ত্র।



































































































































