ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারির প্রতিবাদে সরব দেশের সব বিরোধী দল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ‘অন্যায্য’ গ্রেফতারির তীব্র নিন্দা করেন। অন্যদিকে শুক্রবারই সংসদের দুই কক্ষ থেকে ওয়াক আউট করে বিরোধী সাংসদরা। বিজেপি বিরোধী দলগুলি ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাশে দাঁড়ান ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের।

রাজ্যসভায় কংগ্রেসের তরফে প্রথম অভিযোগ জানিয়ে মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, হেমন্ত সোরেন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ইস্তফাপত্র পেশ করার পর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, সেবিষয়ে রাজ্যপালকে জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘ঝাড়খণ্ডে যা ঘটছে, তা সম্পূর্ণ সংবিধান বিরোধী।’ তাঁর অভিযোগ একইভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নীতীশ কুমার পদত্যাগ করার পরই শপথ গ্রহণ করেন মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই।

শুক্রবার অধিবেশন শুরুর প্রথম থেকেই বিরোধী সাংসদদের হৈ-হট্টগোলের জেরে অধিবেশনের কাজ ব্যহত হয়। শেষ পর্যন্ত অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান বিরোধী দলের সাংসদরা। তাঁরা অভিযোগ করেন, ঝাড়খণ্ডে হেমন্ত সোরেন গ্রেফতার হওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন কোনও ব্যবস্থা নেননি রাজ্যপাল। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইডি যেকোনও অজুহাতে বিরোধী নেতাদের গ্রেফতার করছে। এখনও অবধি ইডি একটাও অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। এটা বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা।’



































































































































