বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা-সহ চার দফা দাবিতে ফের রাজ্যজুড়ে দু’দিনের কর্মবিরতির ডাক দিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের। আজ মঙ্গলবার ও বুধবার এই কর্মবিরতি পালন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। এ নিয়ে পঞ্চমবার কর্মবিরতির ডাক দিলেন DA-আন্দোলনকারীরা। যে ৪ দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে সেগুলি হল, কেন্দ্রীয় হারে DA, রাজ্য সরকারি অফিসে শূন্যপদে স্বচ্ছ ও স্থায়ী নিয়োগ, প্রতিহিংসামূলক বদলি অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং যোগ্য অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণ। কর্মবিরতি পালনের কর্মসূচি ঘোষণার দু’দিন আগে অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর তাঁরা এই দাবিগুলি নিয়েই রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। দাবিগুলি লিখিত আকারে তাঁর হাতে তুলেও দিয়ে এসেছিলেন।

বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে ধর্মতলায় মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তির সামনে ২৫৭ দিন ধরে চলছে অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচি চালাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা। সম্প্রতি DA-আন্দোলনের আবহে নবান্নের বিজ্ঞপ্তি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। প্রতিবাদ জানিয়ে মহাকরণে বিক্ষোভ দেখায় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সরকারি কর্মীদের অধিকার হরণের চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার, এমনই অভিযোগ করে DA আন্দোলনকারীরা । বকেয়া DA-এর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের লাগাতার আন্দোলনের আবহে, সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে দুটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার।
এর মধ্যে প্রথমটিতে বলা হয়, সোমবার পেন ডাউন কর্মসূচিতে শামিল হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টিফিন টাইমে অফিসের বাইরে গিয়ে অন্য কোনও কাজ করতে পারবেন না সরকারি কর্মীরা। এই বিজ্ঞপ্তির তীব্র বিরোধিতা করেন সরকারি কর্মীদের একাংশ। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ প্রশ্ন তোলে, পেন ডাউনের যে কর্মসূচি ঘোষণাই হয়নি, তার প্রেক্ষিতে কী করে বিজ্ঞপ্তি জারি হল? প্রতিবাদে মহাকরণে বিক্ষোভ দেখান রাজ্য সরকারি কর্মীরা। উল্লেখ্য, এ বছরের শুরুতেই দফায় দফায় কর্মবিরতি ও প্রশাসনিক ধর্মঘটে শামিল হয়েছিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। ফেব্রুয়ারি মাসের ১৩, ২০, ২১ তারিখে রাজ্য জুড়ে সরকারি অফিসগুলিতে কর্মবিরতি পালন করেছিলেন তাঁরা। আবার ১০ মার্চ প্রশাসনিক ধর্মঘটেও শামিল হয়েছিলেন। ৬ এপ্রিলও কর্মবিরতি পালন করেছিলেন তাঁরা। ফের আরও এক বার দু’দিন ব্যাপী কর্মবিরতি পালন করবেন তাঁরা।




































































































































