‘পুঁজিপতি বন্ধু’দের স্বার্থরক্ষায় সদা তৎপর কেন্দ্রের মোদি সরকার। নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi) ক্ষমতায় আসার পর থেকে দফায় দফায় হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ খেলাপি করে দেশ ছেড়েছে বহু শিল্পপতি। এর পাশাপাশি ব্যাঙ্কের হিসেবের খাতা থেকেও মুছে ফেলা হয়েছে বড় অঙ্কের শিল্পের ঋণ। সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে সেই হিসেবে প্রকাশ্যে আসার পর রীতিমতো শোরগোল পড়েছে। দেখা যাচ্ছে, গত ২০১৪-১৫ থেকে শুরু করে ন’টি অর্থবর্ষে নথিভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি(Bank) হিসাবের খাতা থেকে মোট ১৪,৫৬,২২৬ কোটি টাকার অনুৎপাদক সম্পদ (NPA) মুছে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭,৪০,৯৬৮ কোটি টাকা শুধু শিল্পের ঋণ(Business Lone)।

লোকসভায় বিরোধীদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ভাগবত কারাড জানিয়েছেন, ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষ থেকে মোট ৯ টি অর্থবর্ষে নথিভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি হিসাবের খাতা থেকে মোট ১৪,৫৬,২২৬ কোটি টাকার অনুৎপাদক সম্পদ (এনপিএ) মুছে দেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৩-এর মার্চ পর্যন্ত মুছে দেওয়া ঋণের মধ্যে ২,০৪,৬৬৮ কোটি টাকা উদ্ধার করতে পেরেছে ব্যাঙ্কগুলি। অর্থাৎ, ১৪% ফেরানো গিয়েছে। এই হার নিয়েও সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে বিরোধী দলগুলি। অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির মুছে দেওয়া নিট ঋণ (মুছে দেওয়া ঋণ এবং তার মধ্যে উদ্ধার হওয়া অংশের ফারাক) ছিল ১.১৮ লক্ষ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি শিল্পের ঋণের পরিমাণ তুলে ধরে জানানো হয়েছে, এই হিসেবে শিল্পের ঋণ ৭,৪০,৯৬৮ কোটি টাকার।
উল্লেখ্য, অনাদায়ি ঋণ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বরাবর সরব দেশের বিরধি রাজনইতিক দলগুলি। তাদের অভিযোগ, চড়া মূল্যবৃদ্ধি এবং বেকারত্বে কাহিল সাধারণ মানুষ আর্থিক ভাবে কোনও সুরাহা পাচ্ছেন না। উপরন্তু ঘাড়ে ঋণ থাকলে না খেয়েও অনেকে চড়া সুদে তা মাসে মাসে শোধ করে যেতে হচ্ছে। অথচ এনপিএ মুছে ‘বন্ধু পুঁজিপতিদের’ সাহায্য করে চলেছে কেন্দ্র।











































































































































