পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) ২৪ ঘন্টা আগে জোর ধাক্কা বিরোধী শিবিরে। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court of India) বড়সড় জয় পেল রাজ্য সরকার। মুখ পুড়ল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। ৩২ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ মামলায় হাইকোর্টের (High Court) সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় খারিজ সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ আদালতের এই রায়ে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বহালই থাকল।

প্রাইমারিতে (Primary) ৩২ হাজার সহকারী নিয়োগের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় খারিজ সুপ্রিম করল কোর্ট। এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টর ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি চলবে। দ্রুততার সঙ্গে সেই শুনানি করতে হবে কলকাতা হাইকোর্টকে। আজ, শুক্রবার এমনটাই নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত।
প্রসঙ্গত, মে মাসের মাঝামাঝি কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে স্বস্তি পায় ৩২ হাজার অপ্রশিক্ষিত চাকরিহারা শিক্ষকের। বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়েছিল। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গেল বেঞ্চ ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের যে নির্দেশ দিয়েছিল, তাতে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল ডিভিশন বেঞ্চ। সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে। তারপর এই বেঞ্চে আবারও এই মামলার শুনানি হবে।
পরে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। এদিন সেই মামলার রায়ে হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় খারিজ করে সুপ্রিম কোর্টে। হাইকোর্টর ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি চলবে। দ্রুততার সঙ্গে শুনানি করতে হবে কলকাতা হাইকোর্টকে, জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে কে মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চ।
উল্লেখ্য, হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, পর্ষদকে যে ইন্টারভিউয়ের কথা বলা হয়েছিল, সেই ইন্টারভিউ নিতে হবে। অর্থাৎ, চাকরি এখনই না গেলেও তাঁদের আবারও ইন্টারভিউ দিতে হবে, কাউন্সেলিংয়ে অংশ নিতে হবে, অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হবে আবার, তার ভিডিয়োগ্রাফি হবে। একদিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বহাল রাখা এবং অন্যদিকে নতুন করে নিয়োগের যে নির্দেশ ডিভিশন বেঞ্চ দিয়েছিল তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল। সেই মামলাতেই বড়সড় জয় পেল রাজ্য।









































































































































