দফায় দফায় জ্বলছে মণিপুর। অশান্ত হয়ে উঠেছে রাজধানী ইম্ফল। পরিস্থিতি সামাল দিতে নাকানিচোবানি খাচ্ছে পুলিশ ও সেনা। এমনকি পড়ছি রাজ্য নাগাল্যান্ড থেকেও আনা হয়েছে সেনা। চলছে বায়ুসেনার ফ্লাইং অপারেশন।রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় ইম্ফলের রাস্তায় উত্তেজিত জনতার রোষের মুখে পড়েন রাজ্যের এক বিজেপি বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজ্য সচিবালয় থেকে ফেরার পথে ভালতে আহত হন তিনি।আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:অ*শান্ত মণিপুর এখন অনেকটাই শান্ত, দাবি ভারতীয় সেনার

বুধবার মণিপুরের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। সেখানকার হাইকোর্ট সরকারের উদ্দেশে নির্দেশ দিয়েছে, মেইটেই সম্প্রদায়কে তফসিলি তালিকাভুক্ত করা যায় কিনা তা বিবেচনা করতে। তারপরেই জনজাতি ছাত্রদের উত্তাল আন্দোলন মণিপুরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এমনই পরিস্থিতি যে বৃহস্পতিবার বিকালে রাজ্যপালের অনুমতিক্রমে মণিপুরের বিজেপি সরকার দেখা মাত্রই গুলি অর্থাৎ শ্যুট অ্যাট সাইট অর্ডার জারি করেছে।

বুধবার বিকেলেই মণিপুরের বিজেপি সরকার অধিকাংশ জেলায় কার্ফু জারি করেছিল।জায়গায় জায়গায় মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পরপরই বিষ্ণুপুর ও চুড়াচাঁদপুর জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে এন বীরেন সিংয়ের সরকার।


দিন পনেরো হতে চলল রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেহাল। তার উপর রাজ্যের বীরেন সিংয়ের নেতৃত্ব খোদ দলের মধ্যে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তাঁর কাজে অসন্তোষ জানিয়ে জনা ছয় বিধায়ক সরকারি পদ ছেড়ে দিয়েছেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতত্বের তরফে মণিপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র গত সপ্তাহে গুয়াহাটিতে মুখ্যমন্ত্রী এবং বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন। তারপরও সমস্যার রফাসূত্র বেরোয়নি। এই পরিস্থিতিতেই জনতার রোষের মুখে পড়লেন এক বিঝেপি বিধায়ক। কুকি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি তিনি। তাঁর গাড়ির ওপরই এদিন চড়াও হন আন্দোলনকারীরা। বিধায়ক ও তাঁর গাড়ির চালক আহত হন। দু’জনকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।





































































































































