বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ডিসেম্বর ধামাকার তিনটি তারিখের প্রথম দিন আজ। শুভেন্দুকে বলতে শোনা গিয়েছে, “১২, ১৪, ২১ তিনটে দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ।”
এদিন আলিপুর আদালতে পেশ করা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে আদালতে পেশের সময়ই সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, বিজেপি ডিসেম্বর হুমকি নিয়ে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দেওয়া ডিসেম্বরের ৩টি তারিখ প্রসঙ্গে। যেই তারিখগুলিতে ধামাকা হবে বলে দাবি করেছেন তিনি। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই আজ ১২ ডিসেম্বর কী হতে পারে? জানতে চাওয়া প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর কাছে। তার উত্তরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, কেউ তৃণমূলের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না।
এদিন আলিপুর আদালতে পেশ করা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। আলিপুর আদালতের এজলাসে দাঁড়িয়ে তাঁর দাবি, “প্রতিদিন আমার সামাজিক চরিত্র হনন করা হচ্ছে। এরপর আর কেউ মন্ত্রী বা জনপ্রতিনিধি হতে চাইবে না।” এদিনও জামিন পেলেন না নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিয়ুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে জেলেই থাকতে হবে, জানিয়ে দিল আদালত।একই সঙ্গে সুবীরেশ, কল্যাণময়দেরও ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে আদালতে পেশের সময়ই সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, বিজেপি ডিসেম্বর হুমকি নিয়ে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দেওয়া ডিসেম্বরের ৩টি তারিখ প্রসঙ্গে। যেই তারিখগুলিতে ধামাকা হবে বলে দাবি করেছেন তিনি। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই আজ ১২ ডিসেম্বর কী হতে পারে? জানতে চাওয়া প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর কাছে। তার উত্তরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, কেউ তৃণমূলের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। 
প্রসঙ্গত, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ডিসেম্বর ধামাকার তিনটি তারিখের প্রথম দিন আজ। ১২, ১৪ এবং ২১ ডিসেম্বর ধামাকার নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছেন বিরোধী দলনেতা নিজেই। হুঁশিয়ারির পর কী বোমা ফাটাবেন বিরোধী দলনেতা? এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তুঙ্গে জল্পনা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দুকে বলতে শোনা গিয়েছে, “১২, ১৪, ২১ তিনটে দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ।”
উল্লেখ্য, এদিন আজ হাজরায় সভা রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। এদিন হাজরার জনসভায় মঞ্চে দেখা যাবে সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীকে।
এর আগে ডায়মন্ড হারবারের সভায় ধোঁয়াশা রেখে শুভেন্দুকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘২০০৯ সালে লোকসভায় বদল এসেছিল। ২০১১ সালে বিধানসভায় বদল এসেছিল। ২০১৪ ও ২০১৬ সাল পর্যন্ত এখানে ভোট হত। ২০১৬ সালের পর ভাইপো বাহিনী এখানে ভোট করতে দেয়নি। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেউ এখান মনোনয়ন জমা দিতে পেরেছেন? এবার খেলাটা দেখাব? গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? নমিনেশেন পাইয়ে দেওয়া দায়িত্ব আমার। আজ এখানে সবেমাত্র লাঙ্গল দিয়ে গেলাম। এরপর ধান ফেলা হবে, রোওয়া হবে। কী করতে হয় দেখবেন আপনারা। ডিসেম্বর মাসে আসব এবং বিজয় সমাবেশ করতে আসব। সঙ্গে এক ‘হাতি-গাড়ি’ ভর্তি লাড্ডু নিয়ে আসব।







































































































































