নিয়ম করে প্রতি রাতে ওড়িশার গঞ্জামের বেরহামপুর স্টেশনের অপ্রান্ত-ওপ্রান্ত বিশাল বিশাল বোঝা কাঁধে দেখা মেলে। আবার তাঁকেই দেখা যায় সকালে একটি বেসরকারি কলেজে পড়াতে। নাগেশু পাত্রকে। ৩১ বছরের যুবকের জীবন কাহিনী আপনাকেও গর্বিত করবে।

আরও পড়ুন:বেলুড় নেচারোপ্যাথি মেডিকেল কলেজের নতুন নাম ‘যোগাশ্রী’

কিন্তু কেন দুটি একেবারে ভিন্নধর্মী কাজ করেন কাজকে বেছে নিয়েছেন নাগেশু? গরিব বাচ্চাদের জন্য একটি কোচিং সেন্টার খুলেছেন নাগেশু। একসময় নিজেই পড়াতেন। এখন সেখানে পড়ুয়া বেড়েছে। ফলে রাখতে হয়েছে আরও ৪ জন শিক্ষক। তাঁদের বেতনের জন্যই কোচিং সেন্টারের শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন রেল কুলির কাজ। সকালে চলে আসেন কলেজে। সেখানে তিনি গেস্ট লেকচারার। কলেজের পড়ানোর পর দিনের শেষ চলে আসেন নিজের কোচিং সেন্টারে। সেখানে পড়ানোর পর সন্ধেয় বেরিয়ে পড়েন বেরহামপুর স্টেশনের উদ্দেশ্যে।

করোনার মহামারির সময়ে কোচিং সেন্টারের শুরু। কলেজ ছিল না। তাই বিনা পয়সায় কোচিং সেন্টার খুলে বসেন। সেখানে পড়তে শুরু করেন এইট থেকে টুয়েলভ ক্লাসের পড়ুয়াদের। পড়ুয়াদের চাপে তিনি আরও ৪ শিক্ষক নিয়ে নেন। তারা পড়ান হিন্দি ও ওড়িয়া ছাড়া বাকী সব বিষয়। বেসরকারি কলেজে গেস্ট লেকচারার হিসেবে মাসের শেষ নাগেশু পান মাত্র ৮ হাজার টাকা। সেই টাকার পুরোটাই পাঠিয়ে দেন বাবা-মাকে।



































































































































