জোড়া ছাত্র খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই সিআইডির সাফল্য। মাত্র একদিন হয়েছে সিআইডি ( CID ) বাগুইআটির জোড়া ছাত্র খুনের তদন্তভার গ্রহণ করেছে। আর তারপরেই দুই সপ্তাহ গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর হাতেনাতে ধরা পরল মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরী (satyendra Chowdhury) । বৃহস্পতিবারই জানা গিয়েছিল, ঘনঘন সিম কার্ড বদল করছে সে। শুক্রবার হাওড়া স্টেশন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের প্রাষমিক অনুমান, ট্রেনে করে অন্য রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল সত্যেন্দ্রর।
অতনুদের বাড়ির পাশেই সত্যেন্দ্রের শ্বশুরবাড়ি। অতনুর পরিবারের সঙ্গেও চেনাশোনা ছিল সত্যেন্দ্রের। এলাকায় বাইকের দালালি করা সত্যেন্দ্রকে অতনু ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিল একটি বাইক কিনে দেওয়ার জন্য। অতনুর পরিবারের অভিযোগ, সেই বাইক সত্যেন্দ্র কিনে দেননি। টাকাও ফেরত দেননি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, সেই টাকা বার বার ফেরত চাওয়াতেই অতনুকে নিয়ে গত ২২ অগাস্ট একটি বাইকের শোরুমে যান সত্যেন্দ্র। পুলিশের অনুমান, তার কিছু পরেই খুন করা হয় অতনু এবং তার তুতো ভাই অভিষেককে।
প্রসঙ্গত, সত্যেন্দ্র চৌধুরীর খোঁজ পেতে রাজ্য জুড়ে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছিলেন তদন্তকারী অফিসাররা। এর মধ্যেই গোপন সূত্রে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, শুক্রবার সকালে সত্যেন্দ্র চৌধুরী হাওড়া স্টেশন আসবেন। সকাল থেকে হাওড়া স্টেশন চত্বরে কড়া নজরদারি চালাতে থাকেন সিআইডি কর্তারা। যথারীতি সত্যেন্দ্র চৌধুরী হাওড়া স্টেশনে পা দেওয়া মাত্রই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে বিধাননগর কমিশনারেটে নিয়ে যাওয়া হয়। মনে করা হচ্ছে, সত্যেন্দ্র চৌধুরীকে জেরা করে জোড়া ছাত্র খুনের ঘটনার আসল রহস্য এবার ফাঁস হবে। পাশাপাশি অভিযুক্তের শাস্তির দিকেও চোখ থাকবে সবার। সবার সামনে ফাঁসি চাই-দাবি জানাতে থাকে মৃত ছাত্রদের পরিবার৷











































































































































