অমিত শাহের পর এবার দু’দিনের সফরে রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। বঙ্গ বিজেপির মুষলপর্ব ও সংগঠনের দৈন্যদশার মধ্যে নাড্ডার এই সফর রাজনৈতিকভাবে খুব তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। দু’দিনের রাজ্য সফরে একাধিক কর্মসূচী রয়েছে বিজেপি সভাপতির।

জানা গিয়েছে, ৭মে, মঙ্গলবার রাত ৯টায় কলকাতা বিমানবন্দরে পা রাখবেন জেপি নাড্ডা। ওইদিন বেশি রাতের দিকে আসায় কোনও কর্মসূচি নেই তাঁর। এরপর ৮মে, বুধবার সকাল ১১.১৫মিনিটে হুগলির চুঁচুড়ায় ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি বন্দেমাতরম ভবন পরিদর্শন করবেন। সেখান থেকে চন্দননগরের রাসবিহারী বসু রিসার্চ ইনস্টিটিউশনে যাবেন। এরপর দুপুর ৩টে নাগাদ ন্যাশানাল লাইব্রেরিতে রাজ্য বিজেপির কার্যকারী বৈঠক রয়েছে। এই বৈঠকে বিজেপির রাজ্যকমিটির সমস্ত সদস্যদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে। ওইদিনই বাছাই করা কিছু নেতার সঙ্গে “ক্লোজ ডোর” বৈঠক করার কথা আছে তাঁর।

পরের দিন ৯মে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বেলুড় মঠে যাবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বেলা ১১টায় নিউটাউনের ওয়েষ্টিন হোটেলে দলের সাংসদ, বিধায়ক ও রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন নাড্ডা। দুপুর ২টোয় সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বিজেপির ৪২ টি সাংগঠনিক জেলার সমস্ত জেলা, মন্ডল, মোর্চা সভাপতি ও নেতৃত্বের সামনে বক্তব্য রাখবেন নাড্ডা। আগামী বছর পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখেই এই কর্মী সম্মেলন বলে মনে করা হচ্ছে। এরপর বিকেল ৪.১৫মিনিটে কলামন্দিরে নাগরিক সম্মেলন। এবং সেই কর্মসূচি শেষ করে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

উল্লেখ্য, অর্জন সিং, বাবুল সুপ্রিয়,জয়প্রকাশ মজুমদার-সহ একাধিক হেভিওয়েট নেতার বিজেপি ত্যাগের পর এই প্রথম জেপি নাড্ডার বঙ্গ সফর। কেন বিজেপি দল ছেড়ে নেতা-কর্মীরা বেরিয়ে যাচ্ছেন, কেন দলের সংগঠনের ভঙ্গুর দশা রাজ্য নেতৃত্বের কাছে তার কৈফিয়ত নেবেন নাড্ডা। অন্যদিকে, গেরুয়া শিবিরের বিক্ষুব্ধ ও বিদ্রোহী নেতাদের একাংশ নাড্ডার সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে চিঠি দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।










































































































































