করোনার প্রকোপ থেকে অনেকটাই মুক্ত হওয়ার পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে মানুষ। মহামারি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল হয়েছে। জন জীবনের মতো পুরনো ছন্দে ফিরছে রেল পরিষেবাও। কেউ শহরে গিয়ে বাবুদের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন, কেউ মুটে-মজুর বা রাজমিস্ত্রির জোগারের কাজ, কেউ আবার সামান্য কিছু টাকা রোজগারের জন্য অন্যের ফাইফরমাচ খাটতে ডেইলি পাসেঞ্জার। গ্রাম কিংবা শহরতলি থেকে নিত্যদিন ট্রেনে চড়ে পেশার তাগিদে বেরোচ্ছেন দরিদ্র-হতদরিদ্র নিত্যযাত্রীরা।

আরও পড়ুন: Accident:মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা! নিহত একই পরিবারের ৪ জন

তবে সেইসব গরিব মানুষের কপালে ভাঁজ। ট্রেনের টিকিটে চালু হয়নি ‘ইজ্জত পাস’। এখন নতুন করে কাজে যাওয়ার আগে ‘ইজ্জত’ মান্থলি কাটতে গিয়ে কাউন্টার থেকে খালি হাতে হতাশ মুখে ফিরতে হচ্ছে গরিব নিত্যযাত্রীদের। বাড়তি টাকা খরচ করে সাধারণ মান্থলি কাটতে হচ্ছে দরিদ্র থেকে হতদরিদ্র নিত্যযাত্রীদের।

অথচ, এই গরিব যাত্রীদের জন্যই রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ‘ইজ্জত মান্থলি’ চালু করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নতুন করে চালুর করার ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে কেন্দ্রের রেল দফতর। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি রেলমন্ত্রক গরিব নিত্যযাত্রীদের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে চালু হওয়া ‘ইজ্জত পাস’ তুলে দেওয়ার পথেই হাঁটছে?

উল্লেখ্য, মাসে সর্বোচ্চ দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ের অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্যই রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন ‘ইজ্জত পাস’। দেশজুড়ে লক্ষ লক্ষ গরিব নিত্যযাত্রী এই সুবিধা পেতেন। বর্তমান রেল বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপাতত ‘ইজ্জত পাস’ চালু করা হচ্ছে না। আর এখানেই তথাকথিত গরিব দরদী মোদি সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


Sign in
Welcome! Log into your account
Forgot your password? Get help
Password recovery
Recover your password
A password will be e-mailed to you.


























































































































