দলের সাংগঠনিক নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলের(TMC) চেয়ারপার্সন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(MamataBanerjee)। এরপরই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, বাংলাকে সময় দিয়েও গোটা দেশ থেকে বিজেপিকে উৎখাত করব।

এদিন নিজের বক্তব্যে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনেক ঝড়-ঝঞ্ঝা অতিক্রম করে আজ এই জায়গায় তৃণমূল। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলে একটি করে ভিত্তি আছে। কংগ্রেস শুরু হয়েছিল উত্তর প্রদেশ থেকে, বিজেপি শুরু হয়েছিল গুজরাট থেকে আর তৃণমূল কংগ্রেস শুরু হয়েছে বাংলা থেকে। দলের যত নেতা-কর্মী সমর্থক রয়েছেন তারা সকলে দলটাকে বাংলায় বুক দিয়ে আগলে রাখুন, আমি বাংলাকে সময় দিয়েও গোটা দেশে যেখানে বিজেপি আছে সাফ করে দেবো।”
আরও পড়ুন:WHO:ভারতের মানচিত্র বিকৃত করার অভিযোগ, হু-কে কড়া বার্তা কেন্দ্রের
এদিনের অনুষ্ঠান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি গোটা দেশে তৃণমূল সংগঠন ছড়িয়ে দিয়েছে। অল্প কিছুদিনের সংগঠনে ত্রিপুরাতে ২০ শতাংশ ভোট পেয়েছে। গোয়াতে ও একটি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে তৃণমূলের সংগঠন। অন্যান্য রাজ্যেও তৃণমূল সংগঠন তৈরি করেছে।” এরপরই রাজ্যে রাজ্যে তৃণমূলের উপর শাসকদলের অত্যাচার প্রসঙ্গে সরব হয়ে দলনেত্রী বলেন, আজ ত্রিপুরায় গেলে আমাদের মারধর করা হচ্ছে। ত্রিপুরায় অত্যাচার হচ্ছে, জেলে ঢোকানো হচ্ছে, গাড়ি পোড়ানো হচ্ছে। বাংলায় এর থেকে বেশি অত্যাচার সহ্য করেছি আমরা। মনে রাখতে হবে তৃণমূল লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে উঠে এসেছে। তৃণমূলের আরেক নাম সংগ্রাম, আন্দোলন।
পাশাপাশি কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে মমতা জানান, “কংগ্রেস মেঘালয়, চণ্ডীগড়ে বিজেপির হয়ে ভোট করে দেয়। আমরা চেয়েছিলাম, বিজেপি বিরোধীরা এক জায়গায় আসুক। কিন্তু অহঙ্কার করে কেউ যদি বসে থাকে, তাহলে প্রয়োজনে একলা চলো। একটা একটা করে ফুল গাঁথতে গাঁথতে গোটা মালা গেঁথে নেব।” আসন্ন উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে অখিলেশ হয়ে উত্তরপ্রদেশে ভোট প্রচারে যাওয়ার কথা ওই দিন ঘোষণা করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।









































































































































