KMC 50: দলবদলু-সুবিধাবাদীদের ভোট নয়, মৌসুমির প্রচারে বার্তা কুণালের

0
12

যারা ঘন ঘন দল বদলায়। যারা সুবিধাবাদী। যারা তৎকাল। তাদের একটিও ভোট নয়। উন্নয়নের স্বার্থে, নীতির প্রশ্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হাত শক্ত করতে তৃণমূল (TMC) প্রার্থীকেই ভোট দিন। রবিবার কলকাতা পুরসভার ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে দলীয় প্রার্থী মৌসুম দে’র (Mousumi Dey) সমর্থনে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূলের (TMC) রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

কলকাতা পুরবোর্ড (KMC) আবার তৃণমূলের দখলে যাবে। মেয়র তৃণমূলের হবে। বোরো চেয়ারম্যান তৃণমূলের হবে। রাজ্য সরকার তৃণমূলের। বিধায়ক-সাংসদ তৃণমূলের। তাহলে তৃণমূল প্রার্থী মৌসুমি জিতলেই ওয়ার্ডে উন্নয়নের ধারা বজায় থাকবে। তৃণমূল কাউন্সিলর কাজ আদায় করে নিয়ে আসতে পারবে। তাই ভোট তৃণমূল প্রার্থীকেই দিন। প্রতীক দেখে ভোট দিন। তাঁর নির্বাচনী বক্তব্যে কুণাল ঘোষ এমটাই আবেদন করেন এলাকাবাসীকে।

কুণালের কথায়, “বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি ডাবল ইঞ্জিনের কথা বলেছিল। আমরা পুরভোটে চারটি ইঞ্জিনের কথা বলছি। বোর্ড তৃণমূলের। মেয়র তৃণমূলের। বোরো চেয়ারম্যান তৃণমূলের। আর কাউন্সিলর তৃণমূলের। তাই ওয়ার্ডে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে তৃণমূল প্রার্থী মৌসুমি দে-কেউ ভোট দিন।”

দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আবেদনের পাশাপাশি এদিন বিজেপিকেও কটাক্ষ করেন কুণাল। তিনি বলেন, “এখানে বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। ও আমার ভাইয়ের মতো। আমি ওকে ভালোবাসি। কিন্ত নীতির প্রশ্নে ওর বিরোধিতা করছিম কিন্তু ওর বিজেপিতে যাওয়া ঠিক হয়নি। ও যাতে দলে থাকে শেষদিন পর্যন্ত বুঝিয়েছি। শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসিয়েছি। কিন্তু বিজেপিতে চলে গেল। ও পুজো করে। পশুপাখির মেলা করে। কিন্তু সেইসব সহানুভূতি নিয়ে যেন ভোট না পায়। ওর বাবা প্রদীপ ভট্টাচার্য-এর সঙ্গেও আমার ভালো সম্পর্ক। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি, ওনাদের রাজনৈতিক স্থিরতা নেই। কখন কোন দলে আছে সেটা নিজেরাই মনে করতে পারবেন না। তাই দলবদলু, সুবিধাবাদীদের ভোট নয়। এখানকার আদি বিজেপি, তাদের কাছেও অনুরোধ তৎকাল বিজেপির পিছনে ঘুরে জিন্দাবাদ বলবেন না। এরা আজ বিজেপি, কাল নাও থাকতে পারে।”

এদিন শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গ টেনে সজল ঘোষকেও বার্তা দেব তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, “যে শুভেন্দুর পাল্লায় পড়ে সজল বিজেপিতে গিয়েছে, সেই শুভেন্দু ওকে বিধানসভায় চৌরঙ্গী থেকে প্রার্থী করার কথা বলেছিল। সেই শুভেন্দুই আবার শিখার মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেয়। সজল যেন একটি পশু মেলা করে সেখানে শুভেন্দুকে আনে।”

কংগ্রেস ও বামেদের সমালোচনা করে কুণাল ঘোষ বলেন, “বাম ও কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে নিজেদের মূল্যবান ভোট নষ্ট করবেন না। ওরা জিততে পারবে না। যারা একসঙ্গে ৭ মাস সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারে না, তারা কীভাবে মানুষের জন্য কাজ করবে।”

আরও পড়ুন- Sayoni Ghosh: দক্ষিণে বাপ্পা উত্তরে শক্তি, পুরভোটে শেষ রবিবারের প্রচারে ঝড় সায়নীর