ওমিক্রন দাপটে আতঙ্কে ভুগছে গোটা দেশ। প্রতিনিয়তই বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। শনিবার দিল্লি(Delhi) পর রবিবার ফের অন্ধ্রপ্রদেশ (Andhra Pradesh) ও চণ্ডীগঢ়(Chandigarh)-এও মিলল নতুন করে দুই আক্রান্তের খোঁজ।এই নিয়ে দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের বেড়ে দাঁড়ালো ৩৫।
আরও পড়ুন:Narendra Modi: নরেন্দ্র মোদির টুইটার অ্যাকাউন্ট আরও সুরক্ষিত করা হয়েছে, জানাল টুইটার

রবিবার চণ্ডীগঢ়ের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়, সদ্য ইতালি ফেরত ২০ বছর বয়সী এক যুবক ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২২ নভেম্বর তিনি ইটালি (Italy) থেকে দেশে ফেরার সময় RTPCR টেস্টে তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরই তাঁর নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিং(Genome Sequencing)-র জন্য পাঠানো হয়। আজ জানা গেছে ওই যুবক ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। বর্তমানে ওই যুবক তাঁর বাড়িতে আইসোলেশনেই ছিলেন। কিন্তু তাঁর দেহে ওমিক্রনের সংক্রমণের হদিশ মেলায় তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, অন্ধ্রপ্রদেশেও এক ব্যক্তির দেহে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট ধরা পড়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, ৩৪ বছর বয়সী ওই ব্যাক্তি সম্প্রতি আয়ারল্যান্ড থেকে ফিরেছিলেন। নভেম্বর মাসের ২৭ তারিখ আয়ারল্যান্ড থেকে তিনি মুম্বই আসেন। বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষা করা হলে, তার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। এরপরই তাঁকে বিশাখাপত্তনমে আসার অনুমতি দেওয়া হয়। সেখানে এসে ফের করোনা পরীক্ষা করা হলে তাঁর রিপোর্ট পজেটিভ আসে। করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তির নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য হায়দরাবাদে পাঠানো হয়। সেখান থেকেই জানানো হয় তিনি ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন।এই প্রথম অন্ধ্রপ্রদেশেও ওমিক্রনের সংক্রমণ ছড়ালো।

গতকালই দিল্লিতে এক ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছিল। সম্প্রতি জিম্বাবোয়ে থেকে আগত এক যাত্রীর করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসার পরই জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। দেশে প্রথম কর্নাটকে হানা দেয় ওমিক্রন। তারপর থেকে রোজই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।মহারাষ্ট্রে সর্বাধিক ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, সেখানে ১৭ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। রাজস্থানে ৯ জন, গুজরাটে ৩ জন, দিল্লি ও কর্নাটকে ২ জন এবং চণ্ডীগঢ় ও অন্ধ্র প্রদেশে ১ জন করে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন।ওমিক্রনের এই বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগ বাড়ছে কেন্দ্রের।





























































































































