বঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী অবস্থায় রাজনৈতিক হিংসা(after election violation) মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। একাধিক জায়গায় বিজেপি(BJP) কর্মীদের ওপর আক্রমণ ও খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ বিজেপি নেতৃত্বের। একই অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের(TMC) তরফেও। রাজ্যে বহু জায়গায় খুন হয়েছেন একের পর এক তৃণমূল কর্মী সমর্থক। এহেন অশান্ত পরিস্থিতিতে রাজ্যে এসে কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টার পাশাপাশি বুধবার কড়া হুংকার দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা(JP Nadda)। কড়া সুরে তিনি জানিয়ে দিলেন, “এর শেষ দেখে ছাড়ব।”
বুধবার সন্ধ্যায় শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন, “নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর একেবারে বেছে বেছে নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের আক্রমণ করছে তৃণমূলের গুন্ডা। শুধু কর্মী সমর্থক নয় আক্রমণ করা হচ্ছে তাদের পরিবারকে, বিশেষ করে মহিলাদের। ঘটছে ধর্ষণ ও নির্যাতনের মতো ঘটনা। গোসাবা, সন্দেশখালি, পূর্ব ক্যানিংয়ের মত জায়গা গুলির অবস্থা ভয়াবহ। প্রাণ বাঁচাতে মানুষ আসাম পালাচ্ছেন।”
আরও পড়ুন:আগের চিঠির উত্তর নেই, শপথ নিয়ে ফের মোদিকে চিঠি মমতার
এরপরই তিনি বলেন, “মানুষ তৃণমূলকে জিতিয়েছেন। আমরা জনাদেশ মাথা পেতে নিয়েছি। কিন্তু মমতা জিতলেও বাংলায় মানবতা হেরেছে। সাংবাদিক বৈঠক শুরু করার আগে রাজ্যে ৯জন বিজেপি কর্মী সমর্থক খুন হয়েছিলেন, মাত্র দু ঘন্টায় সংখ্যাটা হয়েছে ১৪। জানি না এর শেষ কোথায়? তবে কথা দিচ্ছি এর শেষ দেখে ছাড়ব আমরা।” অন্যদিকে জেপি নাড্ডার তোলা অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, “জেপি নাড্ডাকে গুরুত্ব দেওয়ার মতো কিছুই নেই। আর যে অভিযোগ বিজেপি তরফে তোলা হচ্ছে সে প্রসঙ্গে তৃণমূলের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপি কর্মীদের চেয়ে তৃনমূলের কর্মী-সমর্থকরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল কর্মী খুন হয়েছেন। বিষয়টিকে নিয়ে ভুয়ো ভিডিও ছবি প্রকাশ্যে এনে রাজ্যকে অশান্ত করে তোলার চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির।” পাশাপাশি বুধবারই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, কড়া হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করা হবে।






































































































































