ভোটের আগে ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterje) নিশানায় দলত্যাগীরা। তাঁর কথায়, “একটা পাতা পড়লে বটগাছের কি কিছু আসে যায়?” আজ, মঙ্গলবার তৃণমূল (TMC) ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল মহাসচিব।
এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “যাঁরা তৃণমূল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁরা বাংলার উন্নয়নকে অবজ্ঞা করে গিয়েছেন। অনেকেই আসবে, যাবে। একটা পাতা ঝড়ে পড়লে বটগাছের কি কিছু আসে যায়?”
প্রসঙ্গত, বাংলায় হাইভোল্টেজ বিধানসভা ভোটের (Assembly Election) আগে দলবদলের হিড়িক চলছে। বিশেষ করে শাসক দল তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, শীলভদ্র দত্ত, সুনীল মন্ডল, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈশালি ডালমিয়া, রথীন চক্রবর্তী, প্রবীর ঘোষাল-সহ আরও অনেকে। আজ বারুইপুরে বিজেপির যোগদান মেলায় ডায়মন্ড হারবার তৃণমূল বিধায়ক দীপক হালদারও যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। অন্যদিকে, এদিনই আবার তৃণমূলে যোগ দিলেন চা-শ্রমিক নেতা অলোক চক্রবর্তী, আদিবাসী নেত্রী জ্যোতি তিরকে।
একদিকে বারুইপুরে যখন শুভেন্দু-রাজীবরা তোপ দাগছেন তাঁদের পুরোনো দলকে, ঠিক তখনই তৃণমূল ভবনে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় পাল্টা কটাক্ষে বিঁধলেন তাঁদের। বললেন, “এখন নির্বাচন দোরগোড়ায়। এতদিন থাকলেন। আর আজ তাঁরা হঠাৎ সাধু হওয়ার চেষ্টা করছেন! কেন?” পাশাপাশি, কটাক্ষ করেন বিজেপি (BJP) রথযাত্রা কর্মসূচিকেও। বলেন, “এরকম রথযাত্রা আগেও দেখেছি। স্বপ্নপূরণ হবে না।”
উল্লেখ্য, আজ দুপুরে বেহালায় তৃণমূলের রোড শোয়ে অংশ নেন পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় (Partha Chatterjee)। বেহালার অজন্তা সিনেমা হল থেকে শুরু হয় রোড শো। জেমস লং সরণি সুদীর্ঘ মিছিল শেষ হয় ঠাকুরপুকুর ৩-এ বাসস্ট্যান্ডে। বিকালে শোভন-বৈশাখীর নেতৃত্বে বেহালাতেই পাল্টা রোড-শো করছে বিজেপি। বেহালা ১৪ নম্বর বাসস্ট্যান্ড থেকে সেই ঠাকুরপুকুর ৩-এ বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যায় শোভন-বৈশাখীর মিছিল। যদিও তাঁকে আমল দিতে নারাজ পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শ্লেষের সঙ্গে বললেন,”আগে ঘর সামলান শোভন, পরে বিধানসভা।”
আরও পড়ুন- চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ঘোষণা হতে চলেছে নির্বাচন-নির্ঘন্ট, ইঙ্গিত কমিশনের

































































































































