মারণ ভাইরাস কোভিড-১৯-এর ভ্যাক্সিনের প্রস্তুতি চলছিল জোর কদমে। তার মধ্যে হঠাৎ ছন্দপতন। ভ্যাক্সিন তৈরিতে যে সব সংস্থা এবং দেশ কাজ করছিল, তার মধ্যে অন্যতম অক্সফোর্ড। কিন্তু তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার শুরুতেই এই প্রয়োগ পরীক্ষা বন্ধ রাখতে হলো। এই খবর বাস্তবতই সারা পৃথিবীর কাছে যথেষ্টই হতাশার।
আরও পড়ুনঃভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোনও উদ্যোগে যোগ দেবে না আমেরিকা
অক্সফোর্ডের ভ্যাক্সিন ট্রায়ালের তৃতীয় পর্যায় চলছিল। প্রথম দুটি পর্যায়ে সাফল্য আসায় সকলেই আশায় কোমর বেঁধেছিলেন। আশা করা হচ্ছিল পরের বছরের শুরুতেই হয়তো মানুষের হাতে এই ভ্যাক্সিন চলে আসবে। কিন্তু কী এমন হলো যার জন্য এই পরীক্ষা প্রক্রিয়া হঠাৎ করে বন্ধ করতে হলো? পাঁচটি সংস্থা এক যোগে এই ভ্যাক্সিন তৈরির কাজ করছিল। তারাই এদিন সকালে জানিয়েছে, আপাতত এই পরীক্ষা-প্রয়োগ বন্ধ রাখা হলো। কারণ, যে ভলেন্টিয়ারদের উপর এই ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করা হচ্ছিল, তাদের একজনের শরীরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাই তড়িঘড়ি এই সিদ্ধান্ত।
আরও পড়ুনঃধৈর্য ধরে আর দু’মাস অপেক্ষা করুন, ভ্যাকসিন নিয়ে বললেন সেরাম-সিইও
প্রায় ২৫০জনের উপর এই ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করা হচ্ছে। সকলের উপরই প্রয়োগ বন্ধ। একটি কমিটি তৈরি করে এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণ খোঁজা চলছে।
আরও পড়ুনঃসব ঠিক থাকলে ভারতে মহামারির ভ্যাকসিন ডিসেম্বরের মধ্যেই, জানালেন হর্ষবর্ধন
ঘটনায় পৃথিবী জুড়ে মানুষের মধ্যে হতাশা। অক্সফোর্ডের এই ভ্যাক্সিন AZD1222 সকলেই ‘যথাযথ’ মনে করছিলেন। এই অবস্থায় যতক্ষণ না অক্সফোর্ড মুখ খুলছে তা জানা যাবে না। কেন ওই ভলেন্টিয়ারের এই অবস্থা হলো তার অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।






























































































































