সুশান্ত মৃত্যু মামলায় মাদকযোগে গ্রেফতারির ২৪ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। মঙ্গলবার গ্রেফতার হওয়ার পর রিয়ার প্রথম রাত কেটেছে এনসিবির লক আপে। এদিন রাত ১২টা নাগাদ ভাই সৌভিকের সঙ্গে রাতের খাবার খান তিনি।
রবি ও সোমবার জেরার পর মঙ্গলবার রিয়াকে ডেকে পাঠানো হয় এনসিবি দফতরে। বিকেলে মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয় রিয়ার। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ৮৭ দিনের মাথায় মাদকযোগের অভিযোগে এনসিবির হাতে গ্রেফতার হন অভিনেত্রী। মঙ্গলবার গ্রেফতারের পর জামিনের আবেদন করলেও তা খারিজ করে দেয় আদালত। ১৪ দিন জেল হেফাজতে থাকবেন সুশান্তের বান্ধবী। বুধবার সকালে বাইকুল্লা জেলে নিয়ে যাওয়া হয় রিয়া চক্রবর্তীকে। বৃহস্পতিবার জামিনের আবেদনের শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।

গত ১৪ জুন বান্দ্রার অ্যাপার্টমেন্টে মৃত্যু হয় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের। আত্মহত্যা নাকি খুন তার তদন্ত শুরু করে মুম্বাই পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় আত্মহত্যা করেছেন অভিনেতা। এরপর অভিনেতার বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে পাটনার রাজীবনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সুশান্তের বাবা কৃষ্ণ কুমার সিং। একইসঙ্গে এই মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের আবেদন করেন তিনি। বিহার সরকারের সুপারিশকে অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। এই মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। অন্যদিকে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
তদন্ত চলাকালীন মাদক যোগের অভিযোগ ওঠে রিয়া চক্রবর্তী সহ তাঁর ভাই সৌভিক চক্রবর্তী। অভিযোগ উঠেছিল সুশান্তের বাড়ির কর্মীদের বিরুদ্ধেও। গত শুক্রবার রিয়া-সৌভিকের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। এরপর সৌভিককে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন এনসিবি। ওইদিনই সৌভিক এবং স্যামুয়েল মিরান্ডাকে এনসিবি গ্রেফতার করে। শনিবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সুশান্তের কর্মী দীপেশ সাওয়ান্তকে। জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় তাঁকেও। সব মিলিয়ে রিয়া চক্রবর্তী সহ ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো।
আরও পড়ুন- এখনও স্মৃতিতে স্পষ্ট একরত্তি রিয়া, মাদকযোগের অভিযোগ অবিশ্বাস্য বলছে তুনতুড়ি
































































































































