ভারতের বিরুদ্ধে দিনরাত খোঁচা মারতে গিয়ে এবার বেজায় ফাঁসল ইমরান খানের দেশ। বেনকাব হলো ইমরানের দেশ। পৃথিবীর সামনে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী থেকে অন্য প্রাক্তন মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, অশালীন কাজকর্ম আর শ্লীলতাহানির অভিযোগ! আর তাতে দেশ জুড়ে সমালোচনার ঝড়। তদন্ত চেয়েছেন অভিযোগকারী। বলেছেন হাতে গরম প্রমাণ রয়েছে। দরকার হলেই দেব।
সরাসরি ক্যামেরার সামনে এসে এই ধর্ষণের অভিযোগ আনলেন মার্কিন সাংবাদিক, ব্লগার সিন্থিয়া ডি রিচা। পাক রাজনৈতিক অলিন্দে সিন্থিয়া পরিচিত নাম। রাজনীতিতে তাঁর বিস্তর আগ্রহ। আবার নেতাদের সঙ্গে বেশ দহরম-মহরম। ক্যামেরার সামনে হাজির হয়ে তিনি ২০১১ সালের একটি ঘটনার কথা তুলে আনেন। কী সেই অভিযোগ? সিন্থিয়ার মুখেই শোনা যাক। বলছেন, সেদিন ইসলামাবাদে প্রেসিডেন্টের বাসভবনে তৎলালীন অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী আমাকে ধর্ষণ করেন। আর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি ও প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাখদুম শাহবুদ্দদিন আমাকে কদর্য ভঙ্গিতে শ্লীলতাহানি করেন। সব ঘটনা ঘটেছিল প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির বাসভবনেই। আমি চাই ঘটনার তদন্ত হোক। কারণ, আমার কাছে প্রমাণ আছে। অভিযুক্তরা অবশ্য শুরুতেই ওই দাবি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেন।
কিন্তু এতদিন পর কেন? তার জবাবও দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, শাসক দল পিপিপি বা পাকিস্তান পিপলস পার্টি হওয়ায় অভিযোগ করিনি। জানতাম কোনও লাভ হবে না অভিযোগে। এখন করছি বিচার পাওয়ার আশায়। ফেসবুক লাইভে যাওয়ার আগে সিন্থিয়া ট্যুইট করেন। অভিযোগ করেন, জারদারি পরিবার থেকে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কারণ, ওরা জানে, বছরের পর বছর আমাকে ওরা ধর্ষণ করে এসেছে। গিলানি ও ইউসুফ মালিক যথারীতি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এই অভিযোগ আনা হয়েছে। পাকিস্তানের যুক্তিবাদী জনতা অবশ্য দেখতে চান ইমরান খান যেন এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। কিন্তু ইমরান হাত মিলিয়ে নেবেন না তো! ঘটনা যাই হোক সিন্থিয়ার অভিযোগে ফুটছে পাক রাজনৈতিক মহল। বিশ্ব রাজনৈতিক মহল ক্লিন্টন-মনিকার ঘটনার ছায়া দেখতে পাচ্ছেন ইসলামাবাদে।




























































































































