মঙ্গলবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতি এবং পরবর্তী সময় কীভাবে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা যায় সে প্রসঙ্গে কথা বলেন নোবেলজয়ী।
কী বললেন তিনি?
১. ইউপিএ সরকার যে প্রকল্প চালু করেছিল বর্তমানে তা অমিল।
২. অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ও বিভিন্ন সংস্থাকে দেউলিয়া হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে হবে। প্রথমত, এই ধরণের সংস্থাগুলির ঋণ ফেরত দেওয়ার সময়সীমা শুধু পিছিয়ে দিলে হবে না, একেবারে মকুব করে দিতে হবে। যাতে ব্যবসায়ীর মাথার ওপর থেকে চাপ সরে যায়। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে মানুষের হাতে টাকা দিতে হবে।
৩. এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কে গরিব তা বিচার করা কার্যত অসম্ভব।
৪. মানুষের হাতে টাকা এলেই তবে তাঁরা জিনিস কিনতে পারবেন। তার ফলে ছোট ব্যবসা ও লাভবান হবে।
৫. এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তীব্রতর হচ্ছে খাদ্য সংকট। তিন মাস বা যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে ততদিন প্রত্যেককে রেশন কার্ড দিতে হবে।
৬. জনধন অ্যাকাউন্ট যাদের আছে তারা টাকা পাচ্ছেন। কিন্তু যাদের নেই তাদেরও টাকার ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে। এই নগদ প্রবাহের ব্যবস্থা ইন্দোনেশিয়া করেছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য মানুষের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে হবে, যাতে তাঁরা জিনিসপত্র কিনতে শুরু করেন, এবং অর্থনীতি কাজ করতে শুরু করে।’
৭. সরকারকে সাহস দেখিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার না এগিয়ে আসলে আরও বড় ভুল হয়ে যাবে।
৮. লকডাউন তোলার আগে রোগের গতি প্রকৃতি বুঝতে হবে।
৯. লকডাউনের ক্ষেত্রে রাজ্য গুলিকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দিতে হবে।
১০. আধার কার্ডের মাধ্যমে গণবন্টন ব্যবস্থা অনেক গরিবদের দুর্দশার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।


























































































































