কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মঙ্গলবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৩৯০০ জন করোনা আক্রান্ত ও ১৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিসংখ্যানের পরেই প্রশ্ন উঠেছিল, হঠাৎ করে ভারতে একদিনে করোনায় মৃত্যু এতটা বাড়ল কীভাবে ? তাহলে কি সংক্রমণ আরও ছড়াতে শুরু করেছে? এর ব্যাখ্যা দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। জানানো হল, এই মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ পশ্চিমবঙ্গ ও দু’একটি রাজ্যের হিসেব। এই রাজ্যগুলি ঠিক সময়ে সব তথ্য পাঠায়নি। শেষ পর্যন্ত নতুন যে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা পাঠিয়েছে তা মেলানোর জন্যই সর্বভারতীয় তালিকাতেও সংখ্যা বেশি দেখাচ্ছে।
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল বলেন, দু’একটি রাজ্য ঠিক সময়ে সব তথ্য দেয়নি। কেন্দ্রের তরফে বারবার তাদের বলা হচ্ছিল। তারপর তাদের কাছ থেকে সঠিক তথ্য এসেছে। এই তথ্য যোগ করার ফলেই মৃত্যুর সংখ্যা একদিনে এতটা বেশি দেখাচ্ছে। যদিও এক্ষেত্রে সব মৃত্যু গত ২৪ ঘণ্টায় হয়নি।
প্রসঙ্গত, ২৪ ঘণ্টা আগে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিনে পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩৫। মঙ্গলবার সকালে তা হয় ১৩৩। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র এই রাজ্যেই মৃত্যুর সংখ্যার হিসেব ৯৮ বেড়েছে। গোটা দেশে বেড়েছে ১৯৫। অর্থাৎ গোটা দেশে মৃত্যুর অর্ধেক এই রাজ্যেই দেখানো হয়েছে। যদিও এটা একদিনের হিসাব নয়। করোনাযুক্ত কো-মরবিডিটির মৃত্যুকে এতদিন রাজ্য আলাদা করে দেখাচ্ছিল। কিন্তু গ্লোবাল গাইডলাইন মেনে কেন্দ্রীয় সরকার করোনাযুক্ত মৃত্যুর মধ্যে কোনও বিভাজন করছে না। করোনা সংক্রমণযুক্ত যে কোনও মৃত্যুর একটিই হিসাব পেশ করা হচ্ছে। এতদিন পশ্চিমবঙ্গ সরকার করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য দেওয়ার সময় নানা জটিল ব্যাখ্যা পেশ করছিল, যা বিতর্ক ও বিভ্রান্তিই বাড়াচ্ছিল। বারবার বলার পর অবশেষে সব তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে একদিনের হিসেবে সংখ্যার পার্থক্য চোখে পড়ছে। যদিও দেশে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার মোটের উপর একই আছে।




























































































































