কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর হয়েছেন সেই ২০০৫ সালে৷ তারপর ২০১০ এবং ২০১৫ সালেও৷ তিনটি ভোটেই তাঁর সঙ্গে বিরুদ্ধ প্রার্থীর ভোটপ্রাপ্তির ফারাক ছিলো বিশাল৷ তিনবারই এই ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছেন একজন কংগ্রেস প্রার্থী৷ তাঁর নাম সন্তোষ পাঠক৷ কলকাতা পুরসভায় এখন কংগ্রেসের দু’জন কাউন্সিলর, তারই একজন সন্তোষ পাঠক৷ এ রাজ্যে বিরোধী প্রার্থী হিসাবে বারবার জিতে আসা সহজ কাজ নয়, সেই কঠিন কাজটিই করেছেন সন্তোষ৷
কলকাতার খুব গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড এই ৪৫ নম্বর৷ এই ওয়ার্ডের মধ্যেই আছে বাবুঘাট, ইডেন গার্ডেন্স, মিলেনিয়াম পার্ক, বিবাদি বাগ, সিটি কোর্ট, ব্যাঙ্কশাল কোর্ট, বড়বাজারের বিস্তীর্ণ এলাকা ইত্যাদি৷ এই ওয়ার্ডের নাগরিকরা বছরের পর বছর কেন সন্তোষ পাঠকের উপর এতখানি আস্থা রাখেন, ভরসা করেন, তা বোঝা যায় ওয়ার্ডে একবার ঘুরলেই৷ সাধারন মানুষ থেকে ব্যবসায়ী অথবা দিনমজুররা এক ডাকেই পাশে পেয়ে যান কাউন্সিলরকে৷ রোজ এলাকা ঘোরা, সন্তোষের নেশা৷ ২০০৫-এ প্রথমবার কাউন্সিলর হয়েছিলেন তখনকার ডাকসাইটে মেয়র পারিষদ হৃদয়ানন্দ গুপ্তকে হারিয়ে৷ বহুদিন ধরেই অন্য দলে যোগ দেওয়ার ডাক পেয়েছেন৷ বিনীতভাবে এড়িয়ে গিয়েছেন সেই সব প্রস্তাব৷ এআইসিসি-র সদস্য সন্তোষ পাঠকের স্পষ্ট কথা, “আমি কংগ্রেসের একজন কর্মী, তাই-ই থাকতে চাই৷” আগামী পুরভোটে দল প্রার্থী করলে ব্যাতিক্রমী এই ‘রাজনৈতিক কর্মী’-টি লড়তে তৈরি৷
কিন্তু বড়বাজার এলাকায় বিজেপি তো ফ্যাক্টর হতে পারে ? সন্তোষ পাঠকের ছোট্ট উত্তর, “ভালোই তো, প্রার্থী হলে তো কোনও একজনের সঙ্গে লড়তেই হবে৷”



























































































































