অন্যতম প্রাচীন শিল্প যাত্রা-কে মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় করে তুলতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তারই ফলস্বরূপ ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২৯তম যাত্রা উৎসব (29th Yatra Utsav)। রবিবার রবীন্দ্রসদনে (Rabindra Sadan) উৎসবের তিনদিনের পরিবেশনার সূচনা হল। উদ্বোধন করেন তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen)। ৩১ জানুয়ারি থেকে বারাসাতের (Barasat) কাছারি ময়দানে এবারের যাত্রা উৎসবের উদ্বোধন হয়েছে। রবিবার শুরু হল কলকাতা পর্বের উদ্বোধন। বাকি ৩৫ দিন হবে বাগবাজারের (Bagbajar) ফণীভূষণ বিদ্যাবিনোদ মঞ্চে।
যাত্রা (Yatra) এমন একটি মাধ্যমে যেখানে অভিনয়, গান ও যন্ত্রানুসঙ্গের পরিবেশন একসঙ্গে হয়। আজও বাংলার যাত্রাদলগুলির সেই পরিবেশন কতটা দর্শককে টেনে আনার ক্ষমতা রাখে তা নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে এদিন তুলে ধরেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল। তবে আরও বেশি করে দর্শক টানার জন্য তিনি যাত্রাদলগুলিকে উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, যাত্রা উৎসবকে ঠিকঠাকভাবে পালন করতে পারলে তা অনেক জনপ্রিয় হবে। অনেক বড় বড় সংস্থা বড় বড় পুজো বড় খেলায় বিনিয়োগ (investment) করে থাকে তারা যদি যাত্রার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করে তাহলে যাত্রা (Yatra) আরও উন্নত হতে পারে। বিনিয়োগ হলে যাত্রার মানোন্নয়ন হবে। যাত্রা মানেই গ্রামেগঞ্জে নয় যাত্রা কলা মন্দিরেও হতে পারে।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যাত্রা (Yatra) শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা আর কোথাও কখনও নেওয়া হয়নি। সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মন্ত্রী এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই তাঁর স্বপ্ন ছিল বাংলাকে সংস্কৃতির দিক থেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। সে বিষয়ে আমরা সফল হয়েছি। গান, শিল্প, নাটক, নাচ, চারুকলা এবং যাত্রা ২০১১- এর পর থেকে সবক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন হয়েছে। যাত্রার এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে এবং যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের তিনি যেভাবে সাপোর্ট করে গেছেন তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার মনে হয় বিপুলভাবে এর জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পাওয়া উচিত।
কলকাতায় ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রবীন্দ্র সদনে (Rabindra Sadan) যাত্রা পরিবেশিত হবে। সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা। সেই পরিস্থিতিতে খোলা মঞ্চে যাত্রা পরিবেশন সম্ভব নয়। রবিবার সরস্বতী পুজো থাকা সত্ত্বেও রবীন্দ্র সদনের উদ্বোধনের দিন বিপুল সাড়া পায় যাত্রা উৎসব। এই ভাবেই যাত্রাপ্রেমী দর্শককে ধরে রাখার জন্য দলগুলিকে উৎসাহ দেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন।
–
–
–
–
–
–
–


























































































































