অধ্যক্ষের ‘পরামর্শে’ যোগেশচন্দ্র কলেজে অশান্তির চেষ্টা সরস্বতীপুজোয়, তোপ তৃণমূলের

0
13

সরস্বতী পুজোর আগে থেকেই যোগেশচন্দ্র কলেজে (Jogeshchandra College) অশান্তির পরিবেশ তৈরির প্রচার চলেছে। সরস্বতী পুজোর দিনও তার ব্যাতিক্রম হল না। এক শ্রেণীর পড়ুয়ার সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja) আয়োজনের মধ্যেই বিনা প্ররোচনায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থলে যান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu), সাংসদ মালা রায় (Mala Roy)। তাঁদের ঘিরেও অশান্তি তৈরির চেষ্টা করে পড়ুয়ারা। অশান্তি তৈরিতে ও মিডিয়ার সামনে প্রচার পেতে বিরূপ স্লোগান দিতে কার ইন্ধন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে।

যোগেশচন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষের প্ররোচনাতেই মিডিয়ার সামনে প্রচার-সর্বস্ব স্লোগান দিতে থাকে সেই পড়ুয়ারা, দাবি রাজ্যে শাসকদলের। এদিন বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা প্রকাশ্যে বলেন, কোন অশান্তি হয়নি। তবে অশান্তির আশঙ্কা করছেন তাঁরা। তাই আগে থেকেই পুজো ঘিরে গোলমাল শুরু হয় রবিবার সকাল থেকে। কলেজে পুজো হোক এটা সব বিভাগই চায়। পুজোর জায়গা নিয়ে বিভাগগুলির মধ্যে মূল গন্ডগোল, স্পষ্ট করে দেন তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।

রবিবার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও সাংসদ মালা রায় কলেজের সরস্বতী পুজোর আয়োজন পরিদর্শনে যান। সেখানে তাঁদের ঘিরে উচ্ছৃঙ্খলতা শুরু হয়। শিক্ষামন্ত্রী জানান তিনি পড়ুয়াদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেবেন। তারপরেও কিছু পড়ুয়া অশান্তি করতে থাকে। এরপরই তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়, কার ইন্ধনে এভাবে অশান্তি সরস্বতী পুজোর দিন। কুণাল ঘোষ দাবি করেন, যোগেশচন্দ্র কলেজের (Jogeshchandra College) অধ্যক্ষ যিনি সংবাদমাধ্যমে বিজেপি মুখপাত্র (BJP, spokesperson) হিসাবে বসেন তিনি পুজো ঘিরে ধর্মীয় উস্কানি দিচ্ছেন। মিডিয়ার সামনে প্রচার পাওয়ার মতো স্লোগান দিতে কাদের পরামর্শ, তাও দেখা প্রয়োজন।