বুধবার মহারাষ্ট্রের গড়ছিরৌলিতে আত্মসমর্পণ করলেন ১১ জন মাওবাদী নেতা-নেত্রী (Maoist leaders)। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হল নিহত মাওবাদী নেতা মাল্লোজুলা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজির ভ্রাতৃবধূ চন্দ সিদাম (Vimla Chandra Sidam alias Tarakka Surrendered)। তাঁকে তারাক্কা নামেও চিনতেন সবাই।পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি-র কমান্ডার তথা দণ্ডকারণ্য জোনাল কমিটির নেত্রী হিসেবে মাওবাদী কাজকর্ম করতেন তিনি। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসের কাছে তাঁর আত্মসমর্পণ নিঃসন্দেহে দেশ জুড়ে মাওবাদী বিরোধী অভিযানের প্রেক্ষিতে বড় ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।
১৯৮৩ সিপিআইএমএল (PWG)-র হাত ধরে ‘সশস্ত্র বিপ্লবে’ যোগদানের পর থেকে গত ৩৮ বছর ধরে বিমলা সক্রিয়ভাবে মাওবাদী কাজকর্ম করে গেছেন। শোনা যায় সংগঠনের অন্দরে দ্রুত কিষেণজির আস্থাভাজন হয়ে উঠেছিলেন। ঝাড়গ্রামের বুড়িশোলের জঙ্গলে যৌথবাহিনীর লড়াইয়ে কিষেণজির মৃত্যুর পর সংগঠনের দায়িত্ব তুলে নিয়েছিলেন নিজের কাঁধে। এরপর থেকে বিদর্ভ ছাড়াও ছত্রিশগড় জুড়েও একাধিক নাশকতা হামলার নেপথ্যে ছিল তাঁরই হাত।বিমলার বিরুদ্ধে গড়ছিরৌলির পুলিশ ফাঁড়িতে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ১৮ জনকে খুন করার অভিযোগও রয়েছে। বিমলার সঙ্গে আত্মসমর্পণ ১৭০টি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত গিরিধরের, যাঁর মাথার দাম ছিল ২৫ লক্ষ টাকা। এই নিয়ে গত তিন সপ্তাহে তিন বার বিদর্ভ এলাকায় মাওবাদী আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটল।
–
–
–
–
–
–
–
–


























































































































