‘এক দেশ, এক ভোট’ প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার, এই খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিবাদ করলেন তৃণমূল সভানেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নিজের এক্স হ্যান্ডেল ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা লেখেন, “বিরোধীদের সঙ্গত উদ্বেগকে উপেক্ষা করে এক দেশ এক ভোট বিল নিয়ে বুলডোজার চালাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা“।
বৃহস্পতিবার, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সংসদে ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিল পেশের অনুমোদন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, সংসদের চলতি শীতকালীন অধিবেশনেই এই বিষয়ে বিল পেশ করতে পারে কেন্দ্র। এরপরেই এদিন বিকেলে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মমতা (Mamata Banerjee) লেখেন, “বিরোধীদের সঙ্গত উদ্বেগ উপেক্ষা করে এক দেশ এক ভোট বিল নিয়ে বুলডোজার চালাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এটা শুধু অসাংবিধানিক নয়, এটা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী”। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “এটি কোনও সুষ্ঠুভাবে বিবেচিত সংস্কার নয়। এটি স্বৈরাচারী পদক্ষেপ, যা ভারতের গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক কাঠামোকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র।” তৃণমূল সভানেত্রী স্পষ্ট জানান, এই জনবিরোধী বিলটির কঠোরভাবে বিরোধিতা করবে তাঁর দল। মমতা লেখেন, “বাংলা কখনওই দিল্লির একনায়কতন্ত্রী সিদ্ধান্তের কাছে মাথা নোয়াবে না। এই সংগ্রাম ভারতের গণতন্ত্রকে স্বৈরতন্ত্রের কবল থেকে রক্ষা করার লড়াই!”
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (Ramnath Kovind) নেতৃত্বে ‘এক দেশ, এক ভোট’ ব্যবস্থা এ দেশে চালু করার পরিকল্পনা নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। মার্চে সেই কমিটি রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে একটি রিপোর্ট জমা দেয়। সূত্রের খবর, রিপোর্টে একই সঙ্গে একাধিক দফায় লোকসভা, বিধানসভা, পঞ্চায়েত ও পুরসভা ভোট একই সময়ে করানোর কথা বলা হয়েছে। এর আগে কোবিন্দ কমিটিকে চিঠি দিয়ে মমতা তাঁর আপত্তির বিষয়গুলি করে জানিয়েছিলেন। প্রশ্ন তোলেন, ‘এক দেশ’ বলতে কী বোঝাতে চাইছে মোদি সরকার? সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক পটভূমিতে ‘এক দেশ, এক ভোট‘ বোধগম্য নয়। এদিনও তিনি লেখেন, এক দেশ এক ভোটের ধারণা নিয়েই তাঁর সন্দেহ রয়েছে।







































































































































