আড়াই ঘণ্টায় শেষ বামেদের বিপ্লব! লালবাজার অভিযানে আটক-মুক্তির ‘খেলা’

0
12

আর জি করের ঘটনাকে ইস্যু করে হালে পানি পেতে চাইছে রাজ্যবাসীর ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া বামেরা। মিছিলে লোক জমা করতে পারলেও বামেরা এবার বেশিক্ষণ ময়দানে টিকতেও পারলেন না। মাঝখানে নিয়ম ভেঙে পুলিশের হাতে আটক ও মুক্তি পাওয়া বাম যুব কর্মীদের পিঠ চাপড়ে সান্ত্বনা দিলেন সেলিমের মতো নেতারা। পুজোর আগে শহরের নিরাপত্তা যাতে নষ্ট না হয় তার জন্য কোনওভাবেই পুলিশে পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেই পরিস্থিতিতে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করে বামেরা।

বিচারের দাবি নিয়ে হাস্যকরভাবে সোমবার লালবাজার অভিযানে নামে বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তী। দুপুরে ধর্মতলা থেকে মিছিল করে লালবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তাঁরা। লালবাজারের আগে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের মুখে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়ে বামেরা। যে মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে, সুপ্রিম কোর্টে যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্টও পেশ করেছে, সেখানে বিচার চাইতে লালবাজার অভিযান করলেন রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাওয়া বামেরা।

লালবাজারের আগে ডিওয়াইএফআই নেতাদের পুলিশ আটকালে নয় ফুট উঁচু ব্যারিকেডের উপরেও চড়েন বামনেতারা। তবে ওই পর্যন্তই। এরই মধ্যে কিছু বামকর্মী লালবাজারের দেওয়ালে নগরপালের পদত্যাগের দাবি নিয়ে পোস্টার লাগাতে গেলে ১৪ বামনেতাকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের ছেড়েও দেওয়া হয়। সেই নেতাদের বরণ করেন বর্ষীয়ান সিপিআইএম নেতারা। বিকালে কিছুক্ষণের শান্তিপূর্ণ অবস্থানে বক্তব্য রাখেন মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায়। তবে সেই অবস্থানও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।