মিথ্যে বলছেন ডাক্তারবাবুরা! অভিষেককে সমর্থন করে বিক্রমের মায়ের দাবি, “চিকিৎসা হয়নি ছেলের”

0
12

ডাক্তারবাবুরা মিথ্যা কথা বলছেন। আর এখন আমাকেও মিথ্যাবাদী প্রমাণের চেষ্টা করা হচ্ছে। ফের দাবি করলেন আর জি করে মৃত বিক্রমের মা কবিতা ভট্টাচার্যের (Kabita Bhattacharya)। একই সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অভিযোগ সম্পূর্ণ সত্যি বলে দাবি করেন কবিতা। তাঁর কথায়, উনি (অভিষেক) কেন ক্ষমা চাইবেন! উনি তো সত্যি কথা বলেছেন।কোন্নগরের বাসিন্দা ২৮ বছরের তরতাজা বিক্রম ভট্টাচার্যের (Vikram Bhattacharya) বিনা চিকিৎসায় আর জি করে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরেই একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন বলে অভিযোগ বিক্রমের মায়ের। চিকিৎসকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারের দাবি জানিয়েছিলেন কবিতা (Kabita Bhattacharya)। বিক্রমের মৃত্যুর পরে সেই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফেরার আবেদন জানিয়ে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই কথা সত্যি নয় বলে দাবি করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান চিকিৎসকরা। এরপরেই ফের ক্ষোভে ফেটে পড়ে মৃত যুবকের মা। তাঁর কথায়, উনি কেন ক্ষমা চাইবেন? উনি তো ঠিকই বলেছেন। কবিতার অভিযোগ, ডাক্তারবাবুরা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলছেন। কবিতার কথায়, আহত ছেলেকে নিয়ে আর জি কর হাসপাতালে গিয়েছিলেন। বার বার অনুরোধ করেছিলেন কিন্তু ডাক্তার কোথায় কিন্তু কেউ কিছুই জানায়নি। “আমি আমার ছেলেকে নিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা নিয়ে ছোটাছুটি করেছি। কিন্তু কোথাও ডাক্তার নেই-না ট্রোমা কেয়ারে ছিল, আর না আউটডোরে ছিল। এখন ডাক্তারবাবুরা মিথ্যা কথা বলছেন। তাঁরা ট্রিন্টমেন্ট করেননি। আর আমি আমার ছেলেকে হারিয়েছি। এখন আমাকেও মিথ্যাবাদী বানাচ্ছেন। গরিব মানুষরা সরকারি হাসপাতালে যায়। আমিও আশা নিয়ে গেছি। আমার ছেলেটা ট্রিটমেন্ট পাবে, সুস্থ হবে। কিন্তু আমার সেই আশা পূর্ণ হয়নি। আমার ছেলেটা ওখানে ট্রিটমেন্ট পায়নি, আর বাঁচতেও পারলো না। আমি শুধু হাসপাতালে একবার এদিক একবার ওদিক ছুটে বেড়ালাম।“এর পরেই সরাসরি পুত্রহারা মায়ের প্রশ্ন, “মায়া লাগলো না ডাক্তারবাবুদের? এদের মধ্যে কোনো মায়া-দয়া নেই! এরা কেমন ডাক্তার? অন্য রোগীর পরিজনদের মায়া লাগছে। তাঁরা বলছেন ছেলেটা সাদা হয়ে যাচ্ছে কিন্তু ডাক্তারবাবুদের একটু মায়া লাগলো না। ২৮ বছরের একটা ছেলে তড়পাচ্ছে দেখেও করও মায়া লাগলো না! বিনা চিকিৎসায় আমার ছেলেটা মারা গেলো। আর ডাক্তারবাবুরা এখন বলছেন বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর কথাটা ঠিক নয়? আমি একজন মা, আমাকেও তাঁরা মিথ্যাবাদী বানাচ্ছেন।“