সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আর জি কর মামলার (RG Kar Medical College and Hospital) স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। পাশাপাশি চিকিৎসার অভাবে ২৩ রোগী মৃত্যুর কথাও জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। সোমবার শুনানি চলাকালীন সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সলিসিটর জেনারেল জানালেন, ফুটেজ সব পাওয়া যায়নি তাঁদের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে হয়েছে। যদিও প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের উত্তরে রাজ্য জানায় সব ফুটেজ সিবিআইকে (CBI) দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিন ইউডি (UD ) কেসের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলে ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন বারবার টাইমলাইন নিয়ে প্রশ্নোত্তর চলে। তরুণীর মৃত্যুতে দুপুর ১টা ৪৭ মিনিটে দেওয়া হয় ডেথ সার্টিফিকেট। দুপুর ২ টো ৫৫ মিনিটে ইউডি কেস রেজস্টার হয়। দুপুর ২টো ৫৫ মিনিটে জিডি রেজিস্টার হয়। ৪টে ১০-এ পৌঁছন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। রাত ৮টা ২০ থেকে ১০টা ৪৫ পর্যন্ত তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়। দুপুর থেকে ছবি সংগ্রহ করা হয়েছিল। প্রধান বিচারপতির প্রশ্নে জানান রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল (Kapil Sibbal)।

এদিন সিবিআই আইনজীবী জানান মৃতার দেহ অর্ধনগ্ন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দেহে ক্ষতচিহ্ন ছিল। ওই সব নমুনা এইমস (AIIMS) বা অন্য কোনও ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিআই (CBI)। ফলে একদিকে ফরেনসিক রিপোর্ট এবং অন্যদিকে সিসিটিভি ফুটেজ সংক্রান্ত বেশ কিছু জটিলতার কারণে প্রধান বিচারপতি CBI -কে ফের স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলেন। এদিন শুনানি শুরুর এক ঘণ্টার মাথায় CJI ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “ওপেন কোর্টে কিছু মন্তব্য করতে চাই না। যাতে তদন্তে প্রভাব পড়ে। আগামী সোমবার তদন্তের আবার স্টেটাস রিপোর্ট দিন।” মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর ) এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।








































































































































