গ্রেফতার সেই মেজবউ, বোলপুরে পুড়িয়ে হত্যার রহস্যের কিনারা পুলিশের

0
16

ষড়যন্ত্র করেছিল মেজবউই। পুলিশের জেরায় সেই কথা স্বীকার করার পরই তাকে গ্রেফতার করল বোলপুর থানার পুলিশ। সেই সঙ্গে আটক করা হয়েছে তার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে যুক্ত থাকা হাতুড়ে ডাক্তার সফিকুল ইসলামকেও। পুলিশ গোটা ঘটনায় কীভাবে চক্রান্ত করেছিল মেজবউ নাজনিন নাহার বিবি, সেই পর্দাও ফাঁস করেছে।

একই পরিবারের তিনজনকে পুড়িয়ে মারার ঘটনা বগটুইয়ের মত প্রচার পেলেও আদতে যে তা এক অবৈধ সম্পর্কের পরিণতি ছিল, পুলিশি তদন্তে সেই কথাই উঠে এল। মৃত দম্পতির আরেক ছেলে ওয়াসিমের অভিযোগের ভিত্তিতে নাজনিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। সেখানেই উঠে আসে, তার সঙ্গে পাশের গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার সফিকুল ওরফে চন্দনের অবৈধ সম্পর্কের কথা।

ভাসুর আব্দুল আলিম ও তার স্ত্রী রূপা বিবি গোটা ঘটনা জেনে ফেলায় পরিবারে অশান্তি শুরু হয়। তারপরই তাদের খুনের ছক কষে নাজনিন। ঘরে পেট্রোল ঢেলে জীবন্ত দগ্ধ করার পরিকল্পনা করে। শেষ পর্যন্ত মর্মান্তিক মৃত্যু হয় রূপা ও তাঁর শিশু সন্তানের। পরে হাসপাতালে মারা যায় আলিম। ঘটনায় নাজনিনের নামে অভিযোগ জানায় ওয়াসিম।

পুলিশের সন্দেহ ছিল পোড়ানোর জন্য কিছু ব্যবহার করেছিল নাজনিন। তদন্তে পাওয়া যায় পেট্রোলের কথা। সেই রবিবার নতুনগীত গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায় ফরেনসিক দল। সংগ্রহ করা হয় বিভিন্ন নমুনা।