মিম হয়েছিল, এবার লকেটকে এক হাঁড়ি দই পাঠাবেন রচনা!

0
14

গোদি মিডিয়ার সমস্ত মনগড়া এক্সিট পোলকে ভুল প্রমাণ করে বাংলায় সবুজ ঝড়। রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে  ২৯ টি আসনে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। পাঁচটি এমন কেন্দ্র আছে, যেখানে কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছে ভোট। একটুর জন্য হারতে হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীদের। এককথায় বাংলা জুড়ে গেরুয়া আগ্রাসনকে আটকে দিয়ে বামেদের জমানত বাজেয়াপ্ত করে অভূতপূর্ব ফল করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

তার মধ্যে অন্যতম হুগলি (Hoogly)। এই কেন্দ্র এবার প্রকৃত অর্থেই ছিল নজরকাড়া। তারকা বনাম তারকা লড়াই। এবছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাজি ছিলেন অভিনেত্রী তথা “দিদি নাম্বার ওয়ান” রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৭ লক্ষ ২ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্র থেকে ৭৬ হাজার ৮৫৩ ভোটের ব্যবধানে বিদায়ী সাংসদ বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যাকে পরাজিত করেছেন দিদি নম্বর ওয়ান। জয় পেয়ে পরেরদিন তাঁকে নিয়ে মিম থেকে শুরু করে প্রতিদ্বন্দ্বী লকেটকে নিয়ে কথা বললেন তিনি।

রচনাকে নিয়ে মিম আসলে তাঁকে পাবলিসিটি দিয়েছে। চুঁচুড়ার ওলাইচন্ডীতলা মন্দিরে গিয়ে প্রণাম করেন হুগলির নবনির্বাচিত সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। রচনাকে হুগলির সাত লক্ষের বেশি মানুষ ভোট দিয়েছেন। যারা তাকে ভোট দেননি তারাও পাঁচ বছর পর তাকে ভোট দেবেন বলে আশাবাদী তিনি। এবারে তৃণমূল কংগ্রেসের সেলেব প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। জিতেছেন দেব, জুন, শতাব্দী, সায়নী এবং রচনা। তাঁদের হয়ে ব্যাট ধরেন রচনা। অভিনেত্রী বলেন,সেলেব সাংসদরা কী কাজ করে এবার দেখুন।

 

রচনা প্রথমদিনেই জানিয়ে দেন যে তিনি নিজেও হুগলিবাসীর জন্য কাজ করবেন। ভোটের প্রচার পর্বে তাঁকে নিয়ে একাধিক মিম হয়েছিল,সেই প্রসঙ্গে বলেন, ‘যারা আমাকে নিয়ে মিম করেছিল তাদের ধন্যবাদ,কারণ অনেক পাবলিসিটি হয়েছিল মিম করার জন্য।’ সিঙ্গুরে দই নিয়েও মিম হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে রচনা বলেন, ‘লকেটকে এক হাঁড়ি দই পাঠিয়ে দেব’।