দুটি দলেরই পথচলা শুরু হয়েছিল মার্কসবাদের আদর্শ। দুটি দলই বামপন্থায় বিশ্বাসী। তবে পরস্পরের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্ক কখনও ভাল ছিল না। সিপিএমের বামফ্রন্টেও দেখা যায়নি এসইউসিআই-কে। বরং, এ রাজ্যে বামেদের ৩৪ বছরের শাসনকালে সিপিএমের তীব্র বিরোধিতা করে গিয়েছে এসইউসিআই। আবার মার্ক্সবাদী দল হলেও
এসইউসিআইয়ের সম্পর্কে সিপিএমের ছুঁৎমার্গ ছিল। কিন্তু সিপিএমের মতো নিজেদের নীতি আদর্শ কোনওদিন জলাঞ্জলি দেয়নি এসইউসিআই। আর ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নিজেদের নীতি আদর্শকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে সিপিএম।

সম্প্রতি মহম্মদ সেলিমদের আচরণ ও ভূমিকায় অনেকে সিপিএম ও বাম মনোনভাবাপন্ন মানুষ ব্যথিত। তাঁদের অনেকের দাবি, মার্কসবাদ থেকে সরে গিয়ে সিপিএম শূন্য হয়েছে। তাতেও ঔদ্ধত্য কমেনি। এর মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি আবার সর্বভারতীয় আর রাজ্যের পার্টি লাইন নিয়ে দ্বিচারিতা করছে। তাতেই নেতৃত্বের প্রতি মোহমুক্তি হয়েছে অনেক আদর্শবান সিপিএম কর্মী-সমর্থকের। সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআইআইয়ের একটি বড় অংশ প্রকৃত মার্ক্সবাদী আদর্শের টানে ঝুঁকছে এসইউসিআইয়ের দিকে।
বিশেষ করে গত ৫ আগস্ট ব্রিগেডে ঐতিহাসিকসভা সভা করে সিপিএমকে চমকে দিয়েছে এসইউসিআই। আবার
এসইউসিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক প্রভাস ঘোষ সিপিএম নেতৃত্বকে দুরমুশ করতে গিয়ে ডাক দিয়েছিলেন, “সভায় সিপিএমের কেউ থাকলে তাঁরাও আমার কথা শুনুন।” এসইউসিআইয়ের ব্রিগেডের রিপোর্ট বলছে, সেদিন সিপিএম এবং এসএফআইয়ের বহু কর্মী-সমর্থক ব্রিগেডে এসেছিলেন। শুধু তাই নয়, পরে তাঁরা যোগাযোগ করে এসইউসিআইয়ের আদর্শে কাজ করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাঁদের দাবি,
সিপিএম মার্কসবাদের আদর্শ থেকে সরে গিয়েছে। নেতৃত্বে দ্বিচারিতা প্রবল। অশ্লীল ও অসাংবিধানিক কথার প্রতিযোগিতা চলছে। পার্টির হোলটাইমারদের লাইভ-স্টাইল একেবারেই মার্ক্সবাদী সুলভ নয়। সেখানে এসইউসিআই স্রেফ মার্কসবাদের আদর্শের উপর দাঁড়িয়ে এত বড় ব্রিগেড করে দিল।








































































































































