ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পরই রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক সংঘর্ষ। এর মধ্যে আগরতলা বিধানসভা এলাকায় সবচেয়ে বেশি অশান্তির ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন পড়েছে। ভোটের পর থেকে এখনও উত্তেজনা রয়েছে উত্তর চড়িলাম নেতাজি নগর এলাকায়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ওই এলাকায় বোমা নিক্ষেপ করার পর থেকে পরিস্থিতি থমথমে। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে রীতিমতো তটস্থ বিশালগড়ের নেহাল চন্দ্র নগর এলাকার লোকজন। 
তৃণমূল ত্রিপুরার অভিযোগ, বিধানসভা ভোটে জয়লাভের পর থেকেই স্বমহিমহিমায় বিজেপি।তৃণমূলের ওপরে হামলা চালালেও পুলিশ নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।অভিযোগ জানালেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।এআইটিসি ত্রিপুরা টুইট করে একটি সন্ত্রাসের ভিডিও প্রকাশ করেছে।কমলপুরে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় একদল দুষ্কৃতী।তৃণমূলের অভিযোগ, নিজেদের হিংসার রাজনীতির পুন:প্রকাশ করল শাসকদল।তাদের প্রশ্ন, এবার কোথায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ? এবার কেন তৎপর নয় সিবিআই ?
খোয়াই বৃন্দাবনঘাট এলাকায় তিপ্রামথা আশ্রিত দুষ্কৃতীদের তান্ডবে অতিষ্ট এলাকাবাসী। বাড়িঘরে ঢুকে হামলার অভিযোগ। হাসপাতালে হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একাধিক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন আরক্ষা বাহিনী।
এই সন্ত্রাস নিয়ে টুইট করেছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি লিখেছেন, নির্বাচনের ফলাফলের পর মুহূর্তেই নিজেদের মুখোশ উন্মোচন করেছে ত্রিপুরার বিজেপি সরকার।বিরোধীদলের উপর মুহুর্মুহু চলছে নৃশংস অত্যাচার, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়ি। মানবাধিকার কমিশন থেকে সিবিআই এখন ঠুঁটো হয়ে বসে আছে। নিশ্চুপ রাজ্য প্রশাসনও।
কিন্তু বাংলার সিপিআইএম এবং কংগ্রেসে নেতারাও মুখে কুলুপ এঁটেছে। কেন? এবার কেন তারা আন্দোলন করছে না, কেন ডেপুটেশন জমা দিচ্ছে না মানবাধিকার কমিশন, সিবিআই তদন্তের জন্য? কারণ তারা অলক্ষ্যে জোট বেঁধেছে সাম্প্রদায়িক, বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি – বিজেপির সঙ্গে। পরিস্থিতি এমনই যে আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামীকাল ভোর ৬টা পর্যন্ত ত্রিপুরার পশ্চিম জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করল জেলা প্রশাসন।

































































































































