সর্ষের মধ্যেই ভূত! লক্ষাধিক টাকা সহ কলকাতা থেকে গ্রেফতার হওয়া ঝাড়খণ্ডের আইনজীবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। কলকাতা পুলিশ সূত্রের খবর, আইনজীবীর সঙ্গে টাকা লেনদেনে যুক্ত ছিলেন ইডির এক আধিকারিক। পুলিশ জেরায় এমনটাই জানিয়েছেন ধৃত আইনজীবী।

আরও পড়ুন:SSKM-এ অনুব্রত, গরু পাচার কাণ্ডে CBI চার্জশিটে দেহরক্ষীর নাম
কলকাতা পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃত আইনজীবীর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ডেপুটি ডিরেক্টর ওই ইডি অফিসারের নাম সুবোধ কুমার। তিনি এই মুহূর্তে ওড়িশায় কর্মরত। ঝাড়খণ্ডে পোস্টিং থাকাকালীন তিনি আর্থিক লেনদেন নিয়ে মধ্যস্থতা করেছিলেন বলে অভিযোগ। রাঁচির আইনজীবী রাজীব কুমারকে গ্রেফতারির পর তাঁকে টানা জেরার পর উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইতিমধ্যেই ওই ইডি অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠিয়েছে কলকাতা পুলিশ।
জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ওই ইডি অফিসার সুবোধ কুমারকে আর্থিক প্রতারণা মামলায় জেরার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে। তিনি এই মুহূর্তে ওড়িশায় রয়েছেন। আগামিকাল সেখানে গিয়েই কলকাতা পুলিশের একটি তদন্তকারী দল তাঁকে জেরা করবে। জেরায় নয়া কোনও তথ্য উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গতও রবিবার রাতে প্রতারণার অভিযোগে কলকাতার এক শপিং মল থেকে ঝাড়খণ্ডের আইনজীবী রাজীব কুমারকে গ্রেফতার করে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। তিনি রাঁচির বাসিন্দা। ঝাড়খণ্ডে বিভিন্ন সময় সরকারের বিরুদ্ধে বহু জনস্বার্থ মামলা করেছেন তিনি। মামলা করেছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধেও। এই ঘটনার ঠিক আগেই হাওড়ার পাঁচলা থেকে ঝাড়খণ্ডের তিন কংগ্রেস বিধায়ককে বিপুল অর্থ-সহ গ্রেফতার করেছিল রাজ্য পুলিশ। ভিনরাজ্য থেকে কীভাবে এত টাকা আসছে আর তা কেনই বা আসছে ,তার কিনারা করতে তৎপর কলকাতা পুলিশ।





































































































































