তৈরি ৩০ হাজার চাকরি, সিভিল সার্ভিসের প্রস্তুতিতে সরকারি উদ্যোগে সব জেলায় কোচিং সেন্টার: মুখ্যমন্ত্রী

0
12

বাংলা মেধায় সেরা। এখানকার ছেলে-মেয়েরা সিভিল সার্ভিসে জয়েন করুন চান মুখ্যমন্ত্রী। সেই কারণেই, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে প্রত্যেক জেলায় IAS-IPS, WBCS-WBPS-এর জন্য কোচিং সেন্টার খোলা হয়েছে। UPSC-WBCS চাকরির জন্যও ট্রেনিং সেন্টার খোলা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে (Netaji Indoor Stadium) স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড বিলির অনুষ্ঠানে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি বলেন, রাজ্যে জেলায় IAS-IPS, WBCS-WBPS প্রয়োজন। বাংলার পড়ুয়াদের মেধা রয়েছে। প্রয়োজন সঠিক গাইডেন্সের। সেই কারণেই এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্যে কর্ম সংস্থানের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ৩০ হাজার চাকরি হয়ে গিয়েছে। যে কোনওদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ওই চাকরিগুলি বণ্টন করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী কথায়, বাংলার শিক্ষার মান অনেক উন্নত হয়েছে। এখন সিবিএসই, আইসিএসই-র মানের সমান। বলেন, আগে বাংলার ছেলেমেয়েদের সঙ্গে CBSE, ICSE বোর্ডের নম্বরের তফাৎ থাকত। উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেত না। এখন ৮০-৯০ শতাংশ নম্বর পান। স্ট্যান্ডার্ড এক হয়ে গিয়েছে। বাংলার প্রাথমিক শিক্ষা সর্বশ্রেষ্ঠ বলে মত মমতার। যাদবপুর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষায় এক নম্বরে। বাংলার মেধা সবচেয়ে গর্বের। স্নাতক হলেই বাংলার ছেলেমেয়েরা বিদেশে পড়ার সুযোগ পান। তবে, পড়ুয়াদের অনুরোধ, বিদেশে পাকাপাকিভাবে থাকার পরিকল্পনা করবেন না। বিদেশে লেখাপড়া শেষে বাংলায় ফিরে আসার আর্জি জানান মমতা।

এদিন, স্টেডিয়ামে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড (Student Credit Card) বিতরণ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে এত স্কলারশিপ ছিল না। কিন্তু তৃণমূল জমানায় কন্যাশ্রী থেকে শুরু করে যুবশ্রী, সবুজশ্রী-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সবাই লেখাপড়া চালাতে পারছে। ৮০ লক্ষ ছাত্রীকে কন্যাশ্রী দেওয়া হয়েছে। মমতা বলেন, নানা অসুবিধার জন্য অনেকে সময়মতো লেখাপড়া করতে পারেনি। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে তারা ঋণ নিয়ে লেখাপড়া করতে পারবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাম আমলে মাত্র কটা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। গত ১০বছরে ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে।